পালিয়ে আসা ২০ রোহিঙ্গা মানিকগঞ্জে উদ্ধার

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার,মানিকগঞ্জ থেকে | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৭ | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫৭
‘আমরা মানিকগঞ্জ বাসী’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া ছবি
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে উদ্ধার হলো ২০ রোহিঙ্গা। এদের মধ্যে এক নারী ছিলেন গুলি বিদ্ধ। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গারা সিঙ্গাইর উপজেলা বিভিন্ন গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিল । বুধবার রাতে খবর পেয়ে পুলিশ সিঙ্গাইর থেকে তিন রোহিঙ্গা পরিবারের ২০ জনকে উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে ১১ জন শিশু ৬ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ রয়েছে। এদের রাখা হয়েছে সিঙ্গাইর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে। শুক্রবার আটককৃত রোহিঙ্গাদের কক্সবাজার জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 
মানিকগঞ্জ অতিরিক্তি পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, সিঙ্গাইর উপজেলা চারিগ্রামের মাওলানা তাজুল ইসলামের বাড়ি থেকে বুধবার ৯ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়। এরা হচ্ছে ফয়েজুল ইসলাম (৩৫) আমেনা খাতুন (৭০) রাফিয়া বিবি (১৮) হাফসা বিবি (২৮) আরমান (৭), রুম্মান (৪) , আব্দুল হান্নান (৩) রুনাত (১) ও হাছিনা আক্তার (৭৩)। এছাড়া বুধবার রাতে আরো দুইটি রোহিঙ্গা পরিবারের ১১ জনকে উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে এক নারী গুলিবিদ্ধ ছিল। এরা সবাই আরাকান রাজ্যের মংডু জেলার মন্ডুকাদেরবিল গ্রামের বাসিন্দা। 
এদিকে মাওলানা তাজুল ইসলাম জানান চারিগ্রাম বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর তাকে জানান ধল্যা এলাকায় কয়েকটি রোহিঙ্গা পরিবার এসেছে। তাদেরকে আশ্রয় দিতে হবে। মঙ্গলবার ৯ সদস্যের ওই রোহিঙ্গা পরিবারটি তাদের বাসায় আসে। বুধবার পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যায়। 
অপর দিকে জানা গেছে, এসব রোহিঙ্গা পরিবার ঈদের আগেই মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে।  গুলিবিদ্ধ ওই নারী মানিকগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়েছেন।
রোহিঙ্গাদের যেখানে রাখা হয়েছে ওই স্থানে কোনো সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ। যে কারনে কোনো তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না । 
জানা গেছে, বুধবার বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ৯ সদস্যের রোহিঙ্গা পরিবারকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। সেখানে পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান তাদের সাথে কথা বলেন এবং আর্থিক ভাবে ওই পরিবারকে সাহায্য করেন। পুলিশ সুপার ওই রোহিঙ্গা পরিবারের তথ্য মিডিয়াতে না আসার অনুরোধ করেছিলেন।  তবে, ‘আমরা মানিকগঞ্জ বাসী’ নামে একটি ফেসবুক আইডিতে রোহিঙ্গা পরিবারের সাথে পুলিশ সুপারের ছবি দেখা গেছে। পুলিশ সুপারের তোলা ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ সুপার রোহিঙ্গা পরিবারের সব চেয়ে ছোট  সদস্য রুনাতকে কোলে নিয়ে আদর করছেন।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kafil

২০১৭-০৯-১৪ ০৯:৩৪:৪৬

Thank you sir for such humanity.

Habib

২০১৭-০৯-১৪ ০৮:৩৪:৫৯

Thanks. May Allah bless him.

masud

২০১৭-০৯-১৪ ০৫:১৩:২৫

পুলিশ সুপার কে স্যালুট!!!!

সাইফু

২০১৭-০৯-১৪ ০৪:০৭:২৭

পুলিশ সুপার সার কে ধন্যাবাদ ছোট শিশু টিকে আদর করার জন।

আপনার মতামত দিন