গোলাপগঞ্জে স্বামী, ভাসুরকে হত্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি মামলার অভিযোগ হামিদার

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
স্বামী, ভাসুর ও ভাইপোকে হত্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি ও মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য প্রশাসনসহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার কদুপুর গ্রামের মো. আরব আলীর পুত্র হামিদা বেগম। তিনি বুধবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সাহায্য কামনা করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩শে জুন সন্ত্রাসী হামলায় কদুপুর গ্রামের ইমাম হোসেন মারা যান। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা   করা হয়। মামলায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামিদা বেগমের স্বামী আরব আলী, ভাসুর মো. আশরাফ আলী ও ভাইপো এমরান উদ্দিনকে যথাক্রমে ১৬, ১৭ ও ১৮নং আসামি করা হয়। হামিদা বেগম বলেন, সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিরীহ লোকজনের ওপর মামলা করা হয়। তিনি বলেন, ঘটনার দিন উপরোক্ত তিনজনই তাদের জরুরি প্রয়োজনে নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। অথচ হত্যা মামলার পর জানা যায়, তার স্বামী, ভাসুর ও ভাইপোকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি তারা স্থানীয় মুরব্বিয়ান আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সহ শিক্ষামন্ত্রীকেও অবগত করেছেন। হামিদা বেগম বলেন, তারা তৃণমূল আওয়ামী লীগ পরিবার শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। এতে প্রতিপক্ষের লোকজন ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে একটি হত্যা মামলায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামিদা বেগমের দাবি, বাদী পক্ষের ছমর আলীর ছেলে আব্দুল কাদিরকে তাদের বিদ্যুতের খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান না করার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ গোলাপগঞ্জে আবেদন করেছিলেন। তাতে ছমর আলীর পরিবার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এই আক্রোশেই হয়তো হত্যা মামলায় তাদের পরিবারের সদস্যদের আসামি করা হয়।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন