বিশ্রাম জোটেনি কৃষ্ণা-সানজিদাদের

খেলা

সামন হোসেন চনবুরি (থাইল্যান্ড) থেকে | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বুধবার
ম্যাচের দিন সকালে অনুশীলনের পর বিকালে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পা চলছিল না কৃষ্ণা-সানজিদাদের। আর এর খেসারত দিয়ে ম্যাচে ৯ গোল হজম করে বাংলাদেশ। এমন টাইট ম্যাচের পরও বিশ্রাম                                                                                                                                  জোটেনি মেয়েদের। গতকাল সকালেও নিবিড় অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। ফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট স্টেডিয়ামে ঘণ্টাখানেকের অনুশীলনে রাজ্যের ক্লান্তি ভর করেছিল মেয়েদের চোখেমুখে। মনে হচ্ছিল, তাদের মনের বিরুদ্ধে এই অনুশীলন।
এরপরও মেয়েদের মুখে আশার কথাই শোনা যাচ্ছিল।
আগের ম্যাচের উত্তর কোরিয়ার কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর জাপান ম্যাচের ঘুরে দাঁড়ানো প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অনেকে। আবার বাস্তবতাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এই দলের দলের ডিফেন্ডার সামনুন্নাহার উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তাদের ব্যবধান মনে করিয়ে বলেন, আমরা কাদের সঙ্গে খেলেছি, সেটা বুঝতে হবে। প্রথমার্ধে চার গোল খাওয়ার পরও কোচ বলেছে ব্যাপার না। তোমারা স্বাভাবিক খেলাটা খেলার চেষ্টা করো। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। কিন্তু ওদের সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারেনি। তবে জাপানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবো। এখন দেখা যাক।
উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘদেহী মেয়েদের বিপক্ষে ছোট্ট তহুরাকে মাঠে নামাননি কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। ম্যাচ শেষে না খেলার প্রেক্ষাপট সামনে এনে তহুরা বলেন, আমাকে তো কোচ খেলায়নি। পাশে বসেই খেলা দেখেছি। আপনারাও দেখেছেন। আমি একটু ছোটখাটো গড়নের বলে কোচ আমাকে এ ম্যাচে খেলাননি। মাঠে না নামলেও ডাগ আউটে বসে খারাপ লেগেছে। আমরাতো এর আগে এতো বড় ব্যবধানে হারিনি। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে নয় গোলের হারকে স্বাভাবিক দেখছেন দলের অনতম সেরা খেলোয়াড় সানজিদা আক্তার।
গতকাল অনুশীলনের ফাঁকে এই ফুটবলার বলেন, প্রথমার্ধে চার গোল খেলেও স্যার এসে আমাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন। বলেছেন, তোমরা তোমাদের মতো করে খেলে যাও। আমরা ভাই চেষ্টা করেছি। কিন্তু হয়নি। ম্যাচে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি ও হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের নিদের্শনা খেলার কোনো প্রভাব পড়ে না জানিয়ে সানজিদা বলেন, পলের আচরণে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি। তারা দুজনেই কাজ করেন।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বড় ব্যবধানে হারের জন্য ভয়কে দায়ী করেছেন সিরাত জাহান স্বপ্না। ‘ভয় তো কাজ করছেই। প্রথমার্ধের পর স্যারের নির্দেশনা ছিল ধরে খেলার।’ তবে মারিয়া মান্ডা বলছেন ভিন্ন কথা। ‘আমরা ভয় পাইনি। আমরা তো আমাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু শারীরিক শক্তি থেকে ওরা এগিয়ে। রানিংও ভালো। এ কারণে আমরা ওদের সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারিনি। দেখা যাক, এখন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা পরের ম্যাচে ভালো করতে পারি কি না।
আগামীকাল জাপানের বিপক্ষে গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটায় থাইল্যান্ডের চনবুরি ফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের দাবি

এখনও আসছে রোহিঙ্গারা, সমঝোতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

৯০ টাকা ছাড়ালো পিয়াজের কেজি

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মামুলি ব্যাপার

‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’

চিরঘুমে লোকসংগীতের মহীরুহ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার ক্ষতি পোষাতে দরকার ১০০ কোটি টাকা

জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ

দুই দলেই হেভিওয়েট প্রার্থী

দরিদ্রদের জন্য বিচারের বাণী নীরবে কাঁদে

৭ই মার্চ ভাষণের স্বীকৃতিতে দেশব্যাপী শোভাযাত্রা আজ

সম্মতিপত্র প্রকাশের দাবি বিএনপির

ঘরে ঘুরে দাঁড়ালো চিটাগং

মিশরে মসজিদে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ২৩০

‘শেষ মুহূর্তে হলে সরকার সমঝোতায় আসবে’

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি