৮০ দিন পর দার্জিলিং পাহাড়ে বনধ প্রত্যাহার

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ৩১ আগস্ট ২০১৭, বৃহস্পতিবার
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মেনে দার্জিলিং পাহাড় থেকে বনধ তুলে নেয়া হয়েছে। তবে বনধ প্রত্যাহার করা হয়েছে আপাতত ১২ দিনের জন্য। বৃহষ্পতিবার দার্জিলিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই বনধ প্রত্যাহারের কথা ঘোষনা করেছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার চিফ কোঅর্ডিনেটর বিনয় তামাং। তামাং কলকাতায় রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠকে মোর্চার নেতৃত্ব দিযেছিলেন। দাজিংলিংয়ে চলা অনির্দ্দিষ্টকালের বনধ বৃহষ্পতিবারই ৮০ দিন পূর্ণ করেছে। শুক্রবার থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বনধ প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোর্চা।
১২ তারিখই শিলিগুড়িতে উত্তরকন্যায় পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা নিয়ে দ্বিতীয় দফার আলোচনা বৈঠক হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী গত মঙ্গলবারই ঘোষনা দিয়েছেন। তবে মোর্চার সভাপতি বনধ তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত হুঙ্কার দিয়ে গিয়েছেন। দার্জিলিং পাহাড়ে বনধের সমথৃনে নতুন করে বুধবার পোষ্টারও দেয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেও মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করে বৃহষ্পতিবার  দীর্ঘ বৈঠকের পর পাহাড় থেকে আপাতত বনধ প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোর্চা নেতৃত্ব। তবে এই মতের সঙ্গে বিমল গুরুং একমত কিনা তা এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।  গুরুং গত সোমবারই জানিয়েছিলেন, পাহাড়ে বনধ তোলার সিদ্ধান্ত যারা নেবেন তার দায়ও তাদের। দার্জিলিং পাহাড়ে গত ৮০ দিন ধরে টানা বনধ হয়েছে। স্কুল কলেজ, বাজার হাট, কল কারখানা সবই বন্ধ ছিল। বন্ধ ছিল দার্জিলিংয়ের চা বাগানের উৎপাদনও। খাদ্য ও নিত্য প্রযোজনীয় জিনিষের অভাবে পাহাড়ের জনজীবন এক রকম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যালয় পর্যায়ে সরকার বাংলা ভাষা পড়ানোর ঘোষণা দিলে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতারা তা না মেনে এর বিরোধিতায় মাঠে নামে এবং মুখ্যমন্ত্রীর ওই ঘোষণা প্রত্যাহারের দাবি জানান। কিন্তু প্রত্যাহার না হওয়ায় আন্দোলন চাঙা রাখার জন্য জনমুক্তি মোর্চার নেতারা শুরু করে পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের আন্দোলন। পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে গত ১২ জুন থেকে শুরু হয়েছিল অনির্দিষ্টকালের দার্জিলিং বন্ধ।এই আন্দোলনের নামে গত দু মাসে পাহাড়ে ব্যাপক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। বহু সরকারি সম্পত্তি ও গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিহতও হয়েছেন ৯জন মোর্চা সমর্থকও। গত সপ্তাহে দার্জিলিং, কালিম্পং ও সুখিয়া পুখরিতে আইইডি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় মোর্চা প্রধান বিমল গুরুংসহ ৭ মোর্চা নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ এনে আনলফুল অ্যাকটিভিটিজ প্রিভেনশন আইনে মামলা করা হয়েছে। ফলে গুরুং আত্মগোপনে রয়েছেন। 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নবীনগরে আওয়ামী লীগ নেত্রী খুন

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দেখা হবে পোপের

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে বিশ্বজনমত গঠিত হয়েছে

৬৯ মাসে তদন্ত প্রতিবেদন পেছালো ৫২ বার

মসনদে বসছেন ‘কুমির মানব’

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সমঝোতার কাছাকাছি বাংলাদেশ-মিয়ানমার

তনুর পরিবারের সদস্যদের ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ

স্বপ্ন দেখাচ্ছে সৌর বিদ্যুৎ

আসন ধরে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ, ফিরে পেতে মরিয়া বিএনপি

মেয়র পদে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র জমা

জিদান খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা আবু বকরের

অসহনীয় শব্দ দূষণে বেহাল নগরবাসী

সব স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার নির্দেশ

একতরফা নির্বাচন কোন নির্বাচনী প্রক্রিয়া নয়

‘অনুমোদনহীন বারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’

কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী