বিএসএমএমইউতে পাল্টাপাল্টি

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৫ আগস্ট ২০১৭, শুক্রবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার নিয়ে ‘কটুক্তির অভিযোগ’ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একপক্ষ অভিযোগ করেছেন, ভিসি’র পিএস আমিনুল ইসলাম পলাশ প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার নিয়ে কটুক্তি করেছেন। ৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বাক্ষরিত ওই অভিযোগপত্রের বিরোধীতা করে পাল্টা অভিযোগপত্র দেন ৪৪৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। তারা কটুক্তির অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান। সূত্র জানায়, গত ২০শে আগস্ট কম্পিউটারে কম্পোজ করা একটি কাগজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। তবে কে বা কারা কাগজটি পাঠিয়েছে জানা যায়নি।
কাগজটিতে ‘ভিসি কামরুলের সীমাহীন দূর্নীতি ও অশান্ত বিএসএমএমইউ’ শিরোনামে দীর্ঘ লেখা আছে। লেখার এক পর্যায়ে ‘ভিসির পিএস আমিনুল ইসলাম পলাশ ছাত্রজীবনে আলীয়া মাদ্রাসার ছাত্র শিবিরের সভাপতির কক্ষে থাকতেন, সে সহ পূর্বে অনেকের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আছে’- উল্লেখ করা হয়। তাৎক্ষনিক এই লেখার প্রতিবাদ জানিয়ে পলাশসহ বিএসএমএমইউ’র আরও ৫জন প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের কাছে যান। পলাশ প্রো-ভিসি (প্রশাসন)কে জানান, তিনি চাকরি পেয়েছেন শেখ হেলাল (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই) এর সুপারিশের ভিত্তিতে। শেখ হেলাল জামায়াত-শিবিরের কারো জন্য সুপারিশ করবেন না। এ বক্তব্যকে ভিন্নভাবে প্রচার করে বিরোধীরা। গত ২২শে আগস্ট ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ভিসি বরাবর পলাশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অভিযোগপত্র দেন। এ বিষয়ে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত ২৩শে আগস্ট ৪৪৪জন কর্মকর্তা-কর্মচারী পলাশের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ভিসির কাছে পাল্টা অভিযোগপত্র দেন। তাদের দাবি- ব্যক্তিগত আক্রোশ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার জন্যই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আমিনুল ইসলাম পলাশ বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে ছাত্রলীগ করে এসেছি। এলাকার আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে আমি পরিচিত। এধরনের অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। মূলত এই ষড়যন্ত্রকারীরা ভিসি স্যারকে বিপদে ফেলানোর চেষ্টা করছে। ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করেছি বিশ্ববিদ্যালয় সুনাম ধরে রাখতে। কোন ধরনের দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেই নি। এধরনের বেনামী চিঠি আগেও পেয়েছি। পরে তদন্ত করলেও কোন ধরনের সত্যতা পাওয়া যায়নি। পিএস আমিনুল ইসলাম পলাশের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এ অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। কাউকে হেয় করার জন্য এ ধরনের অভিযোগ করা ঠিক নয়।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নবীনগরে আওয়ামী লীগ নেত্রী খুন

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দেখা হবে পোপের

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে বিশ্বজনমত গঠিত হয়েছে

৬৯ মাসে তদন্ত প্রতিবেদন পেছালো ৫২ বার

মসনদে বসছেন ‘কুমির মানব’

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সমঝোতার কাছাকাছি বাংলাদেশ-মিয়ানমার

তনুর পরিবারের সদস্যদের ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ

স্বপ্ন দেখাচ্ছে সৌর বিদ্যুৎ

আসন ধরে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ, ফিরে পেতে মরিয়া বিএনপি

মেয়র পদে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র জমা

জিদান খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা আবু বকরের

অসহনীয় শব্দ দূষণে বেহাল নগরবাসী

সব স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার নির্দেশ

একতরফা নির্বাচন কোন নির্বাচনী প্রক্রিয়া নয়

‘অনুমোদনহীন বারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’

কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী