দীর্ঘস্থায়ী রোগাক্রান্ত তরুণ, যুবকদের মধ্যে আত্মহত্যা প্রবণতা বেশি: গবেষণা

শরীর ও মন

অনলাইন ডেস্ক | ২৩ আগস্ট ২০১৭, বুধবার
দীর্ঘস্থায়ী কোন রোগে আক্রান্ত ১৫-৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি থাকে। অন্যদের তুলনায় রোগাক্রান্তদের মধ্যে আত্মহত্যা প্রবণতা থাকে তিন গুন বেশি। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু’র এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে ।
গবেষণায় দেখা যায়, ডায়াবেটিস বা অ্যাজমার মতো দীঘস্থায়ী রোগ তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতীদের মধ্যে আত্মহত্যা করার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয় ২৮ শতাংশ। আর আত্মহত্যার পরিকল্পনা করার হার বেড়ে যায় ১৩৪ শতাংশ। এছাড়া বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত মানুষের আত্মহত্যার চেষ্টার হার ৩৬৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মার্ক ফেরো বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত তরুণ-যুবকদের মধ্যেই আত্মহত্যার চেষ্টা করার ঝুঁকি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতায় ভোগা তরুণদের মধ্যে মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা মানসিক ব্যাধি বৃদ্ধি করতে পারে। যেটি পরবর্তীতে আত্মহত্যার চিন্তা, পরিকল্পনা এবং আতœহত্যার চেষ্টা করার ঝুকি বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘস্থায়ী একটি রোগ এবং মানসিক ব্যাধি একসঙ্গে থাকলে তা মানুষের মধ্যে একটি মিশ্র প্রভাব তৈরি করে, যা পরবর্তীতে আত্মহত্যার চিন্তা ভাবনাকে উৎসাহিত করে।
ফেরো বলেন, দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক রোগ এবং মানসিক রোগের মধ্যে যোগসূত্রের বিষয়টিকে স্বাস্থসেবা দানকারীদের আরো গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে এবং এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য, আত্মহত্যা কানাডার তরুনদের মধ্যে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারন।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন