এবার কালিম্পংয়ে গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত ১

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২০ আগস্ট ২০১৭, রবিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:০৯
প্রতীকী ছবি
দার্জিলিংয়ে বিস্ফোরণের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কালিম্পংয়ে গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন এক আধা সেনা জওয়ান ও এক পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, শনিবার রাত পৌনে এগারোটা নাগাদ থানা লক্ষ্য করে বাইরে থেকে একটি শক্তিশালী হ্যান্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল। কিন্তু একটি বিদ্যুতের তারে লেগে সেটি থানা চত্বরের যেখানে পতাকা তোলা হয় সেখানে পড়ে ফেটে যায়। কেঁপে ওঠে গোটা শহর।
সেখানে তখন কয়েকজন সিভিক পুলিশ ও হোমগার্ড ছিলেন। স্পিøøন্টারের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় তাদের শরীর। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় সিভিক পুলিশ রাকেশ রাউতের (৩১)। আহত দু’জন পুলিশকর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর ৫২ মিনিটের মধ্যেই কালিম্পং থানার গেটে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ হয়েছে। শনিবারই জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে কালিম্পঙের বনবাংলো। বিস্ফোরণ হয়েছে দার্জিলিঙের বাদামতামের কাছেও। গোয়েন্দারা মনে করছেন, আলোচনাপন্থীদের ঠেকাতে সরকারের সঙ্গে বড় রকমের সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে একটি কট্টরপন্থী গোষ্ঠী। তারাই পাহাড়ে শক্তিশালী ‘ল্যান্ডমাইন’ বানানোর মহড়া দিতে ঘটিয়েছে এই মাঝরাতের বিস্ফোরণ। ঘটনাস্থল থেকে জিলেটিন স্টিক, ডিটোনেটর, ব্যাটারি উদ্ধার করার পরে এই সন্দেহ জোরালো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে মোর্চা। তাদের মতে, গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনকে ভেস্তে দিতেই লাগাতার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এদিকে পাহাড়ে টানা ৬৯দিন ধরে টানা বনধ চলছে। দার্জিলিংয়ে শুক্রবারের বিস্ফোরণের পরে দার্জিলিঙের পুলিশ সুপার অখিলেশ চতুর্বেদী জানিয়েছেন, এর পেছনে বিমল গুরুং ও তার ঘনিষ্ঠ দুই কট্টরপন্থী সতীর্থ যুব মোর্চা সভাপতি প্রকাশ গুরুং ও প্রবীণ সুব্বা রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। মোর্চা সভাপতি বিমল গুরুং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, মোর্চা নেতাদের ফাঁদে ফেলার এই ষড়যন্ত্রে রাজ্যের ভূমিকা রয়েছে। মোর্চার অভিযোগ,  যারা গোর্খ্যাল্যান্ড চায় না, তারাই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। পুলিশের উপরে হামলায় যুক্ত সন্দেহে ইতিমধ্যেই নেপালের এক মাওবাদী ধরা  পড়েছে। পুলিশ সূত্রের বক্তব্য, মাওবাদী এলাকায় যেমন হয়, এই দার্জিলিংয়ের বিস্ফোরণের সঙ্গে তার খুব মিল আছে। পুলিশের সন্দেহ, রাতের বিস্ফোরণ স্রেফ মহড়া দেওয়ার জন্যও হয়ে থাকতে পারে। আবার কোনও টহলদারি ভ্যানকে নিশানা করারও চেষ্টা হতে পারে এটি। পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব বলেছেন, অনেক বড় মাথা রয়েছে এর  পিছনে। সারা বাংলাকে অশান্ত করার গভীর চক্রান্ত চলছে। বিমল গুরুংকে গ্রেপ্তার করতে হবে। প্রশাসন কঠোর হাতে হিংসা দমন করবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নবীনগরে আওয়ামী লীগ নেত্রী খুন

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দেখা হবে পোপের

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে বিশ্বজনমত গঠিত হয়েছে

৬৯ মাসে তদন্ত প্রতিবেদন পেছালো ৫২ বার

মসনদে বসছেন ‘কুমির মানব’

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সমঝোতার কাছাকাছি বাংলাদেশ-মিয়ানমার

তনুর পরিবারের সদস্যদের ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ

স্বপ্ন দেখাচ্ছে সৌর বিদ্যুৎ

আসন ধরে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ, ফিরে পেতে মরিয়া বিএনপি

মেয়র পদে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র জমা

জিদান খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা আবু বকরের

অসহনীয় শব্দ দূষণে বেহাল নগরবাসী

সব স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার নির্দেশ

একতরফা নির্বাচন কোন নির্বাচনী প্রক্রিয়া নয়

‘অনুমোদনহীন বারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’

কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী