ঢাবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম: সাদা দলের উদ্বেগ

শিক্ষাঙ্গন

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | ৪ আগস্ট ২০১৭, শুক্রবার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। শুক্রবার বিকালে দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাদা দল থেকে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষক নিয়োগসহ প্রশাসনের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক প্রতিবাদ করে আসা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন বরাবরই আমাদের প্রতিবাদকে উপেক্ষা করেছে।  এর ফলে পরিস্থিতি এমনই হয়েছে যে, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য সুনাম আজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) প্রধান বিচারপতির প্রদত্ত এক আপিলের রায়েও বিষয়টি উঠে এসেছে। বিবৃতিতে শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মসহ ভিসি প্যানেল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা বিশ^দ্যিালয়কে নিয়ে যে সকল অনাকাক্সিক্ষত ও অনভিপ্রেত খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকিত, উৎকণ্ঠিত এবং চিন্তিত।
তারা আরও বলেন, মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষক বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাণ। উপযুক্ত শিক্ষকের উপরই বিশ^বিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম নির্ভর করে। কিন্তু গত কয়েক বছরে শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে পাশ কাটিয়ে দলীয় আনুগত ব্যক্তিদের শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার ফলে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় এক দীর্ঘস্থায়ী সংকটে পড়বে বলে আমাদের আশঙ্কা। যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে নূন্যতম যোগ্যতা পূরণ না করা প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়া কেবল আইন বিরুদ্ধ নয়, নৈতিকতা পরিপন্থী এবং অমানবিকও বটে। বিশ^বিদ্যালয়ের বিধান উপেক্ষা করে বিজ্ঞাপনের  অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দানের ঘটনাও ঘটেছে। অযোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগ দানের ফলে যোগ্য এবং সত্যিকার মেধাবী শিক্ষকদের মধ্যেও মর্ম যন্ত্রণা কাজ করে বলে আমাদের বিশ^াস। সাদা দলের শিক্ষকরা বলেন, অযোগ্যদের কারণে বাকী শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়েও কথা শুনতে হচ্ছে। অন্যদিকে যে সকল মেধাবীরা নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছেন তারা হতাশায় ভুগছেন, এমনকি অনেকে বিদেশেও পাড়ি জমিয়েছেন। এ অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। তাই আমরা অনিয়ম সমূহের বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। বিবৃতিতে আরও স্বাক্ষর করেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: আবদুর রশীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম,  অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অধ্যাপক ড. লায়লা নূর ইসলাম, অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রমুখ।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মওদুদ

২০১৭-০৮-০৪ ০৬:৩৯:০৯

অনিয়মই যেন নিয়ম হয়ে গেছে।দুদক ব্যস্ত মেয়রদের নিয়ে।রাষ্ট্র কোন একটা সেক্টর থেকে করাপশন মুক্ত করার দাবী করতে পারছে না বা করতে চাইছে না। নির্বাহী বিভাগ কতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে?পত্র পত্রিকায় লেখা লেখি হলে কিছুটা হয়।জাতির জনক ক্ষুধা,দারিদ্র ও দূর্নীতিমুক্ত দেশ চেয়েছিলেন।হলো কই?

আপনার মতামত দিন

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের দাবি

এখনও আসছে রোহিঙ্গারা, সমঝোতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

৯০ টাকা ছাড়ালো পিয়াজের কেজি

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মামুলি ব্যাপার

‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’

চিরঘুমে লোকসংগীতের মহীরুহ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার ক্ষতি পোষাতে দরকার ১০০ কোটি টাকা

জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ

দুই দলেই হেভিওয়েট প্রার্থী

দরিদ্রদের জন্য বিচারের বাণী নীরবে কাঁদে

৭ই মার্চ ভাষণের স্বীকৃতিতে দেশব্যাপী শোভাযাত্রা আজ

সম্মতিপত্র প্রকাশের দাবি বিএনপির

ঘরে ঘুরে দাঁড়ালো চিটাগং

মিশরে মসজিদে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ২৩০

‘শেষ মুহূর্তে হলে সরকার সমঝোতায় আসবে’

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি