উত্তর কোরিয়াকে সংলাপের প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৭ জুলাই ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৪৪
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি দূরপাল্লার বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। তা নিয়ে ওই অঞ্চলে তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এর পরেই তাদেরকে এমন বিরল প্রস্তাব পাঠালো দক্ষিণ কোরিয়া। যদি এ প্রস্তাব মেনে নিয়ে উত্তর কোরিয়া আলোচনায় বসে তাহলে তা হরে ২০১৫ সাল থেকে প্রথমবারের মতো উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
সিনিয়র একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এ সংলাপ হতে হবে দু’দেশের মধ্যে সব রকম শত্রুতামুলক কর্মকা- বন্ধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে। এমন কর্মকা-ে দু’দেশের মধ্যে শুধু সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এটা বন্ধ করা গেলে দুই কোরিয়ার সীমান্তই সুরক্ষিত হবে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে প্রকাশ করে আসছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। সম্প্রতি বার্লিনে এক বক্তব্যে তিনি বলেছেন, এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাপ দেয়া হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে। তিনি এ সময় একটি শান্তি চুক্তির কথা বলেন, যা উভয় দেশকে স্বাক্ষর করতে হবে। যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মকান্ড বন্ধ করতে চান তাদের কাছে এমন সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু উত্তর কোরিয়া ঘন ঘন যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে জাতিসংঘের বিধিবিধান লঙ্ঘন হচ্ছে। এতে শুধু তার প্রতিবেশী দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সুহ চু-সুক মিডিয়ার কাছে বলেছেন, তাদের সংলাপের প্রস্তাবে যদি উত্তর কোরিয়া রাজি হয় তাহলে সেই সংলাপ হবে উত্তর কোরিয়ার বেসামরিক এলাকা পানমুনজোমে টোঙ্গিলগাক ভবনে। এটি দুই দেশের বেসামরিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। এর আগেও তাদের মধ্যে এখানে সংলাপ হয়েছে। তিনি প্রস্তাবে বলেছেন, এ সংলাপ হতে পারে ২১ শে জুলাই। তার ভাষায়, এক্ষেত্রে আমরা উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া আশা করছি। সিউল থেকে বিবিসির সাংবাদিক বারবারা প্লেট বলছেন, এমন সংলাপ হলে সামরিক সংঘাতের ইতি ঘটবে। গত কয়েক দশক ধরে দুই কোরিয়ার সম্পর্কের মধ্যে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে এই সামরিক সংঘাত বা উত্তেজনা। এ সংলাপ হতে পারে। সীমান্ত এলাকায় লাইড স্পিকারে প্রচারণা বন্ধ হতে পারে। ওদিকে রেডক্রস ও সরকারের পক্ষ থেকে আলাদা একটি মিটিংয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ১৯৫৩ সালে শেষ হওয়া কোরিয়ান যুদ্ধে যেসব পরিবার দুই কোরিয়ার মধ্যে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন তাদের পুনর্মিলন কিভাবে করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

৭ই মার্চ কেন জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস নয়

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ ও নিয়োগ প্রসঙ্গে

তিনি আছেন থাকবেন

বাতিল হওয়া ৪ লাখ বই উপজেলায়

কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে রাহুল গান্ধীর নাম ঘোষণা

আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমানে সমান

সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ

বাংলাদেশে প্রথম এলপিজি আমদানির জাহাজ কিনলো বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম

সৌদি আরবে আটক ২৭৩ রোহিঙ্গা নিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের বন্ধু হাওয়ার্ড বি শেফার আর নেই

আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চায়

এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়

উল্টো পথে এমপি’র গাড়ি আটকের ছবি ভাইরাল

সশস্ত্র বাহিনী জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান: খালেদা জিয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি অফিসে পুলিশের তালা

সিলেটের টার্গেট ১৭০