জাপানের যে দ্বীপে মেয়েদের পা রাখা নিষেধ

অন্য গণমাধ্যমের খবর

বিবিসি বাংলা | ১০ জুলাই ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৫২
প্রতি বছর মাত্র ২০০জন দর্শনার্থী ওই দ্বীপে যেতে পারেন
জাপানের প্রাচীন ধর্মীয় স্থান ওকিনোশিমা দ্বীপ - যেখানে মহিলাদের যাওয়া নিষিদ্ধ - সেটিকে জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেসকো একটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি দিয়েছে।

এই ওকিনোশিমা দ্বীপেই রয়েছে ওকিতসু উপাসনালয় - সমুদ্রে নাবিকদের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনায় যেটি সপ্তদশ শতকে নির্মাণ করা হয়েছিল।

তবে ওই দ্বীপে পা রাখার আগে পুরুষদের জামাকাপড় খুলে রাখতে হয়, বিশেষ পদ্ধতিতে নিজেদের শুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করে নিতে হয়।

দ্বীপ ছেড়ে যাওয়ার সময় সেখান থেকে তাদের কোনও স্মারক নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয় না।

এমন কী ওই দ্বীপে যাওয়ার পর কী ঘটেছে, সেটাও তারা অন্য কাউকে বলতে পারেন না।
তবে 'জাপান টাইমস' পত্রিকা বলছে, উপাসনালয়টি নির্মাণের অনেক আগে থেকেই সমুদ্রগামী জাহাজের নিরাপত্তার জন্য ও কোরিয়া ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য সেখানে প্রার্থনা করার চল ছিল।

বিদেশ থেকে আনা হাজার হাজার শিল্পসামগ্রী ওই দ্বীপ থেকে পাওয়া গেছে। কোরিয়া উপদ্বীপ থেকে আনা বহু সোনার আংটিও তার মধ্যে ছিল।

প্রতি বছর মাত্র একটি দিন - ২৭ মে - ওই দ্বীপে দর্শনার্থীরা আসতে পারেন। তবে দর্শনার্থীদের সব প্রাচীন রীতিনীতি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে হয়।

দর্শনার্থীর মোট সংখ্যাও কিছুতেই ২০০ ছাড়াতে পারবে না। তবে সবচেয়ে বিতর্কিত যে বিষয়টি, তা হল তাদের সবাইকে পুরুষই হতে হবে!
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভবিষ্যৎ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আস্থা নেই বিএনপির

রুবির বক্তব্য আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ

মিয়ানমারকেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে হবে

সর্বশেষ আসা রোহিঙ্গাদের মুখে নির্যাতনের বর্ণনা

হঠাৎই সব এলোমেলো

হারানো দুর্গ পুনরুদ্ধার করতে চায় বিএনপি

পাহাড়ে দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা

একই চিত্র জাকিরুলের বাড়িতে

মা এখনো জানেন না

ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে বিমান বাহিনী

ফের কমলো স্বর্ণের দাম

লিবিয়ার আইএস ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান হামলা, নিহত ১৭

উল্টো পথে আবার ধরা সচিবের গাড়ি

ফের কমলো স্বর্ণের দাম

ছাত্রের হাতে শিক্ষক জখম

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ৮০ ভাগ নারী ও শিশু: কেয়ার