সিনহা হত্যার ঘটনায় গণশুনানির আহবান

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১১:৩৬ | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫৩

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের খুনের ঘটনায় গণশুনানির ডাক দিয়েছে তদন্ত কমিটি। আজ এ গণশুনানি হবে টেকনাফের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে।

তদন্ত কমিটির সদস্য কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাহজাহান আলী গতকাল একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। এতে তিনি বলেন, ৩১শে জুলাই আনুমানিক রাত ৯টায় পুলিশের গুলিবর্ষণে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে কমিটি গণশুনানির আয়োজন করেছে। এতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মী মো. নুর খান বলেন, সত্য উদ্‌ঘাটনের জন্য যদি গণশুনানির আয়োজন করা হয়ে থাকে এবং এতে স্বাধীনভাবে মানুষের মত প্রকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়, তাহলে এটা অবশ্যই ভালো উদ্যোগ। এর ফলে প্রকৃত তথ্য জানার পাশাপাশি পুলিশের ভেতর ত্রুটি-বিচ্যুতিও বেরিয়ে আসবে। দীর্ঘদিন পর হলেও এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের মনে আস্থা ফিরে আনবে।

এদিকে সিনহা হত্যা মামলায় চার পুলিশসহ সাতজনের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার বেলা ১১টায় কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ এ আদেশ দেন।
এই সাতজন হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) লিটন, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সিনহা হত্যা মামলায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দীন ও মোহাম্মদ আইয়াস।

এর আগে ৪ পুলিশ সদস্যকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। সেই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দফায় তাঁদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে র‌্যাব। আদালত এই চার পুলিশ সদস্যকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

হত্যা মামলার প্রধান তিন আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষীতকে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ার পরই প্রধান আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। প্রধান তিন আসামি এখনো কক্সবাজার কারাগারে আছেন।

গত ৩ জুলাই সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাসসিন রিফাত নুর কক্সবাজার আসেন ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওচিত্র ধারণ করতে। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md Saiful islam

২০২০-০৮-১৩ ০১:৩১:১৮

ওসি প্রদীপ সহ তার সকল সহযোগিদের ক্রসফায়ারে মারা উচি। মেজর সিনহার মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আল্লামা শফী আর নেই

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাসে আটকে রেখে গণধর্ষণ

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিদেশী পাত্রী সেজে প্রতারণা

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আল্লামা শফির পতন যেভাবে

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আইসিইউতে আল্লামা আহমদ শফি

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত