করোনায় জুলাই মাসে রেমিটেন্সে রেকর্ড

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

অনলাইন ৩ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ৮:০৩

করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে প্রত্যাশা ছাপিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে মোট ২৬০ কোটি (২.৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে এত বেশি রেমিটেন্স আগে কখনই আসেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

রেমিটেন্সের এই গতি বাড়ার পেছনে হুন্ডি বন্ধ হওয়াও একটি কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত বছরের জুলাই মাসের চেয়ে রেমিটেন্স বেড়েছে ৬৩ শতাংশ। আর গত জুন মাসের চেয়ে বেশি এসেছে ৪২ শতাংশ।

এর আগে এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল গত জুন মাসে ১৮৩ কোটি ২৬ লাখ ডলার। আর গত বছরের জুলাই এসেছিল ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।

সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট রেমিটেন্স এসেছে ১ হাজার ৮২০ কোটি ৩০ লাখ (১৮.২০ বিলিয়ন) ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, ৩০শে জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ৩০ লাখ (১৮.২০ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা।

এই অঙ্ক আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন রেমিটেন্স এসেছিল।

গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল আরও বেশি; ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, “জুলাই মাসে ২৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে জুলাই মাসে বেশি রেমিটেন্স আসবে, সেটা আগেই আভাস পাওয়া গিয়েছিল। তবে এত আসবে, কেউ কল্পনা করেনি। সত্যিই অবিশ্বাস্য!

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে জুলাই মাসে বেশি রেমিটেন্স আসবে, এটা প্রত্যাশিত ছিল। তবে, আড়াই বিলিয়ন ডলারের বেশি আসবে, এটা কারও ধারণার মধ্যে ছিল না। সত্যিই সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন আমাদের প্রবাসীরা।

এদিকে রেমিটেন্সের গতি ধরে রাখতে গত অর্থ বছরে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল সরকার। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরেও এই ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে। সেটাও রেমিটেন্স বাড়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হয়, কেননা বৈধ পথে অর্থ পাঠালেই কেবল এই প্রণোদনা পাওয়া যাচ্ছে।

জানা গেছে, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বিভিন্ন দেশে থাকা ১ কোটিরও বেশি বাংলাদেশির পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স। দেশের জিডিপিতে এই রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো।
এবার করোনাভাইরাস মহামারিতে মার্চ থেকে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ওলটপালট হয়ে যাওয়ায় রেমিটেন্সও কমে গিয়েছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে রেমিটেন্সে ঊর্ধগতির ধারা চলছে।

রিজার্ভ ৩৭.৩ বিলিয়ন ডলার
রেমিটেন্সের উপর ভর করে বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও সর্বোচ্চ উচ্চতায় অবস্থান করছে। সোমবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Dr Hamid

২০২০-০৮-০৩ ২৩:০৬:৫৬

We are sending money to Bangladesh. Any one realize how the money earn by us. When I saw a labor works in what dangerous climate and bad position? I feel very bad when a cleaner works in desert in bad environment . cleaner like workers are more more from Bangladesh, But Bangladeshi people does not think once , how foreign workers helping country in this Covid 19 period. Last March 2020 I visited BD . When I was crossing green channel , two person stooped me and from where am I coming? They took my pass port and am I caring gold bar with me . I told I am a ministry doctor of Saudi Arab as Radiologist- specialist. How can a Dr bring illegal things and I told them do you thinking am I smuggler? They checked me very badly and nothing found with me. They did not say any sorry and not feel any shame . I told them we are sending money and giving tax to BD. I do not aspect this behavior from our airport. I was so much surprised they have no name badge on chest. I passed so many costume agent, like USA, Canada, Singapore, japan, Dubai and every year Saudi Arab. In my experience when I was crossing Japan airport , just I told them I am a Dr , How much respect me . After twin in tower broken , I was going to USA , one black lady security , saw my pass port and she recognized I Muslim Mohammad before my name . She told me sir please stand beside you need special checking. It was happened Heathrow airport. After all passenger finished , then checked me and young security police office apologized for checking me . I was crossing JFK terminal , one female checked every passenger , but she did not check me because on hand bag she saw I am a Dr. What you will tell about behavior of Bangladeshi officer. I feel very shame and guilty . My son tell me why baba we born in BD? What other countries doing in airport and what we are getting BD airport? Why I send remittance in BD? I thanks to election commotion at least they developed a foreign counter and office for national ID card and tier behavior and work very good. We request to honorable Pri- minister Mrs shekh Hasina to give order to build a desk for foreign workers in all banks , pass port office and important office where foreigner going for work with special discount to this cleaner and workers. DR Mohammad Abdul Hamid Saudi Arab.

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

বেসরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সনদ

৩২ যাত্রীকে রেখে গেলো সৌদি এয়ারলাইন্স

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

নীলা হত্যা

৭ দিনের রিমান্ডে প্রধান আসামী মিজান

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

মানবজমিনকে ড. কামাল

কাউন্সিল করার তারা কে?

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত