১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির বক্তব্য অসংলগ্ন- তদন্ত কমিটি

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ১২:১৫ | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫০

বুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হয় সুমন বেপারী নামের এক ব্যক্তি। তার বক্তব্য অসংলগ্ন বলে মনে করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি।

উদ্ধারের পর সুমনকে নেয়া হয় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে চলে যান সুমন। তদন্ত কমিটির সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রায় ৩০ মিনিট কথা হয় তার।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুমন বলেছেন, তিনি লঞ্চে ঘুমিয়ে ছিলেন। ডুবে যাওয়ার বিষয়টি তার মনে পড়ছে না। উদ্ধারের পর সবকিছু জানতে পারেন। ভেতরে হাঁটুপানি ছিল।
পুরো রুমটা অন্ধকার ছিল। তার জ্ঞান ছিল না। ডুবে যাওয়ার সময় তার পেটেও পানি চলে যায়। সুমন ইঞ্জিনরুমে আটকা পড়েছিলেন বলে দাবি করেছেন। একবার বলেছেন, ভেতরে অন্য কাউকে দেখেননি। পরক্ষণেই আবার বলেছেন, ভেতরে লাশ দেখা গেছে। তাঁর বক্তব্য অসংলগ্ন মনে হয়েছে। তাঁর আরো বক্তব্য নেয়া হবে। তিনি কিছুটা অসুস্থ। সুস্থ হলে প্রয়োজনে সরাসরি কথা বলা হবে।
সুমন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, প্রথম দিকে পেটে একটু পানি প্রবেশ করলেও বাকি পুরো সময়টা নিরাপদে ছিলাম। আমি তো মনে করেছি ১০ মিনিট আটকে আছি! পানির ওপর উঠে এসে শুনি ১৩ ঘণ্টা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৯শে জুন সকালে চাঁদপুরগামী ‘এমভি ময়ূর-২’ লঞ্চের ধাক্কায় বুড়িগঙ্গা নদীতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

রিপন

২০২০-০৭-০৪ ২০:৩৭:৩২

রানা প্লাজার মতো করে রেশমা নাটকের অবতারণা করা হয়েছে এখানে সুপরিকল্পিতভাবে, সরকারি মদদে। ওই নৌ দুর্ঘটনায় একজনও বাঁচে নি। সরকার নিজেদের ওপর সৃষ্ট জনরোষকে ডাইভার্ট করে দিতেই এমন রেশমা নাটকের অবতারণা করেছে। এই সুমনরা হলো গিয়ে অল্প কিছুর টাকায় বেচা যাওয়া সরকারি বাটপার কুত্তা। নানা সময়ে হরেক নামে হরেক বেশে এদের আবির্ভাব ঘটে। কখনও রেশমা, কখনও জজ মিয়া, এবার এলো সুমন বাটপারি হয়ে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



আরব নিউজের রিপোর্ট

ঢাকা-ইসলামাবাদের শান্ত কূটনীতি