দুর্যোগেও ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্র্যাস্টের কার্যক্রম

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন ২২ মে ২০২০, শুক্রবার, ৪:২৭

করোনা ভাইরাসের দুর্যোগের মধ্যেও ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্র্যাস্ট সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। হাসপাতালে রোগীদের সেবাপ্রদান, মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাসসহ যাবতীয় সকল কার্যক্রম চলমান আছে। করোনা মোকাবিলায় ট্র্যাস্ট তার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান পাবনা কমিউনিটি হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য কোনো অর্থনৈতিক বিনিময় ছাড়াই সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এই হাসপাতালটি ল্যাব, আইসিইউসহ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট একটি পরিপূর্ণ হাসপাতাল। হাসপাতালের প্রায় ৩০০ স্টাফ এখন কর্মহীন থাকলেও ট্র্যাস্ট তাদের সবাইকে বেতন ভাতা দিয়ে যাচ্ছে। পাবনায় ডিসিএইচ ট্রাস্ট সম্পূর্ণ নিজের খরচে আরেকটি জেনারেল হাসপাতাল স্থাপন করে প্রতিদিন অসংখ্য রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে।
জানা গেছে, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে সার্বিক চিকিৎসা সুবিধাসহ রোগীদের সেবা প্রদান এবং ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। মেডিকেল কলেজে ১৪০ জন বিদেশী শিক্ষার্থীসহ ৬০০ দেশী শিক্ষার্থীর অনলাইনে প্রতিদিনই ক্লাস চলছে। একইভাবে ঢাকা কমিউনিটি নার্সিং ইন্সটিটিউট ও কলেজ এবং ইন্সটিটিউট অব কমিউনিটি হেল্থ-এর শিক্ষা কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে চলছে।
ট্র্যাস্টের নিজস্ব তহবিল থেকে সকল শিক্ষক, ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের বেতন ভাতা ও পূর্ণ বোনাস দেয়া হচ্ছে।
এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডিসিএইচ ট্র্যাস্ট পরিচালিত হাসপাতাল পূর্ণ গতিতে কাজ করছে এবং সেখানকার ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন ভাতা নিয়মিত দেয়া হচ্ছে। ঢাকার বাইরে সিলেট, পাবনা, রাজশাহী, গলাচিপা, বাগেরহাট ইত্যাদি স্থানে ডিসিএইচ ট্র্যাস্টের যেসব পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে সেসব স্থানেও স্বাস্থ্য সেবা দানের কাজ চলছে। কর্মচারীদের নিয়মিত বেতনভাতা দেয়া হচ্ছে। সরকারের কাছে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল  ট্র্যাস্টের আকুল আবেদন জানিয়ে বলেছে, অন্যান্য সেক্টরে যেভাবে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে সেভাবে সাহায্য না পেলে এই স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা কিছুদিনের মধ্যে অসম্ভব হয়ে পড়বে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা-

প্রধানমন্ত্রীকে ৫ সংগঠনের খোলা চিঠি

৪ জুন ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



৩৩৪ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি-

পুরো দেশ পূর্ণাঙ্গ লকডাউনের দাবি