কলকাতায় পুলিশকর্মীদের জন্য ভ্রাম্যমাণ ক্যান্টিন

কলকাতা প্রতিনিধি

ভারত ১৯ এপ্রিল ২০২০, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:১৬

করোনাভাইরাস ঠেকাতে চালু হওয়া লকডাউন পর্বে পুলিশকে জুতো সেলাই থেকে চন্ডীপাঠ সবই করতে হচ্ছে। লকডাউন যাতে সুষ্ঠুভাবে মানা হয় তা দেখার দায়িত্ব পুলিশকর্মীদের। আবার প্রয়োজনে কোনও বাড়িতে বয়স্কদের কাছে পৌঁছে দিতে হচ্ছে খাবার বা প্রয়োজনীয় ওষুধ। সারাদিন রোদ্দুরের মধ্যে রাস্তায় ডিউটি করে চলেছেন তাদের বড় অংশ। দিনে বা রাতে ৮-১০ ঘন্টা অভুক্তই থাকতে হচ্ছে। করোনার আতঙ্কে যেখানে সেখানে খাওয়ার সুযোগ নেই। নেই চা পানেরও ব্যবস্থা। নেই শৌচালয়েরও ব্যবস্থা।
এই অবস্থায় ডিউটিরত অভুক্ত পুলিশের পাশে দাঁড়াতে কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা ভ্রাম্যমাণ ক্যান্টিন চালু করেছেন। এখন কলকাতার বুকে রাতদিন অষ্টপপ্রহর ঘুরে বেড়াচ্ছে কলকাতা পুলিশের ভ্রাম্যমাণ বা মোবাইল ক্যান্টিন। এই ক্যান্টিনে খুব কম দামে চা থেকে জলখাবার, সবই হাতের কাছে পেয়ে যাচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। ক্যান্টিনের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন জানিয়েছেন, পাঁচ রুপিতে এক বোতল জল, এক প্যাকেট বিস্কুট বা এক কাপ চা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া জলখাবারের দাম ২০ রুপি। খুব শিঘ্রই মধ্যাহ্নভোজের প্যাকেটও চালু করবেন তারা। একটা ভ্রাম্যমাণ ক্যান্টিন থেকে কমপক্ষে ৬০ জন খেতে পারছেন। এছাড়া পথে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের জন্য এখন শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটা ভ্রাম্যমাণ শৌচালয় বা বায়ো টয়লেট। তবে শুধু লকডাউন পর্বের জন্যই নয়, যেসব পুলিশকর্মী সারা বছর রাস্তায় ডিউটি করেন, তাদের কথা মাথায় রেখে এখন থেকে সারা বছরই এই ভ্রাম্যমাণ ক্যান্টিন এবং মোবাইল বায়ো টয়লেট চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

ভারত অন্যান্য খবর

আনলক হওয়ার প্রথম দিনেই কলকাতায় মানুষ ঝুঁকি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন, প্রবল যানজটে দুর্ভোগ মানুষের

১ জুন ২০২০

একদিকে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে জনজীবন স্বাভাবিক করার তাগিদে অফিস থেকে কলকারখানা, শপিং মল ...



ভারত সর্বাধিক পঠিত