বাংলাদেশে রক্ষণশীল ইসলাম শক্তি পাচ্ছে

আন্দ্রেজ সি. হার্ডিগ

শেষের পাতা ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩৪

আমেরিকান ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস সামপ্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে বিদেশি, অধিকার কর্মী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাসহ সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই আক্রমণগুলো পরিচালনায় সুবিধাভোগী ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকজনের অন্তর্ভুক্তি লক্ষ্য করা গেছে। নিউজ রিপোর্টগুলো ইঙ্গিত দেয়ায়, তারা সকলেই এই ধারণাটি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল যে, ইসলাম ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের দ্বারা আক্রান্ত এবং অবশ্যই ইসলাম রক্ষা করা উচিত।

এটি তাৎপর্যপূর্ণ এ কারণে যে, এটা ঘটছে এমন একটি দেশে যারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধে জিতে ১৯৭১ সালে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিমালার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামবাদী সামাজিক আন্দোলন সম্পর্কে আমার গবেষণা আমাকে গত সাত বছর ধরে নিয়মিত বাংলাদেশে নিয়ে গেছে। এই সময়ের মধ্যে, আমি এটাই খুঁজে পেয়েছি যে, একটি রক্ষণশীল ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের রাজনীতি এবং সমাজে আরও বেশি মাত্রায় কেন্দ্রীয় স্থানে চলে এসেছে।

বাংলাদেশের জন্ম
১৯৪৭ সালে যখন ভারতীয় উপমহাদেশ বৃটিশ সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তখন এটি দুটি রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়। বৃটিশ ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোকে নিয়ে পাকিস্তান তৈরি হয়েছিল। নবগঠিত মুসলিম দেশটি উত্তর ভারতের বিশাল ভূখণ্ড দ্বারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পশ্চিম এবং পূর্ব পাকিস্তান নামে দুটি অংশে বিভক্ত হয়েছিল।
পাকিস্তানের এই দুই অংশের একটি সাধারণ বিশ্বাস হিসেবে ইসলামের অংশীদারিত্ব ছিল। তবে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক, ভাষাগত এবং রাজনৈতিক পার্থক্য ছিল। পূর্ব অঞ্চলের জনগোষ্ঠী- প্রধানত জাতিগতভাবে বাঙালি এবং তাদের নিজস্ব ভাষা, বাংলা। পশ্চিমাঞ্চল দ্বারা তারা রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়েছিল।
১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ শুরু করে এবং ‘বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করে।
ভাষা ও সংস্কৃতি যদিও বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়ের মূল অংশ, তবুও বেশিরভাগ মানুষ আজও ধার্মিক হিসেবেই চিহ্নিত।
অন্য কথায়, এটি ধর্ম বিশ্বাসীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ছিল। বাংলাদেশে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ মানে ধর্মের অনুপস্থিতিকে বোঝায়নি, বরং রাষ্ট্রটি ধর্মের প্রতি নিরপেক্ষ হতে পারে বলে বোঝাতে পারে।
আমার গবেষণা এটাই দেখায় যে, ইসলামপন্থি এবং রাজনৈতিক শক্তি, সেই থেকে ইসলামকেই একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির আধার হয়ে উঠতে দিয়েছে।

ইসলামপন্থি, একটি বিস্তৃত লেবেল। যার আওতায় রাজনৈতিক দলসমূহ, ধর্ম প্রচারক এবং জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোসহ অন্যান্য যারাই রয়েছে, তারা সবাই মিলে সক্রিয়ভাবে ইসলামের আরো একটি অধিকতর রক্ষণশীল রূপ বা সংস্করণ তৈরি করেছে।

সর্বাধিক প্রভাবশালী ইসলামপন্থি দল হলো জামায়াতে ইসলামী, যার অর্থ ‘ইসলামী সমাবেশ’। যদিও এটি অনেকগুলো সংসদীয় আসন তারা কখনো জিতেনি, কিন্তু জামায়াতে ইসলামী সরকারের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশের সংসদীয় পদ্ধতিতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য মূলধারার দলগুলোকে ক্ষুদ্র দলগুলোর সঙ্গে একটা মিত্রতা তৈরি করার দরকার পড়ে। এ কারণেই, বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময় সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা সুরক্ষার জন্য জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে।
ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অন্যান্য ইসলামপন্থিরা সবসময় তাদের ‘স্ট্রিট পাওয়ার’ (রাজপথের শক্তি)ব্যবহার করে।

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে জামায়াতে ইসলামীর একজন উচ্চ পর্যায়ের নেতা একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছিলেন। এটি কেউ কেউ খুব কম সাজা হিসাবে বিবেচনা করেছিল। কিছুদিন পরে, এই নেতার মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা রাজপথে সমাবেশ শুরু করে।
এই ধর্মনিরপেক্ষ মনোভাবের যুদ্ধ ট্রাইব্যুনাল সমর্থকরা চেয়েছিলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর স্থানীয় সহযোগীদের মধ্যে যারা বাঙালি এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছিল, তাদের শাস্তি দেওয়া হোক। তারা আরো দাবি করেছিল যে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ এবং ইসলামী ব্যাংকসহ তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে দেয়া হোক।
তাদের ওই আন্দোলন শিগগিরই হেফাজত নামে পরিচিত একটি পাল্টা আন্দোলনের মুখোমুখি হয়েছিল। প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল এবং বিক্ষোভকারীরা তাদের ওই দাবিকে ইসলাম ও হজরত মুহাম্মদ (স.) এর প্রতি অবমাননা হিসেবে দাবি করেন।

১৩ দফা দাবি করেছিল হেফাজত। এর অন্যতম ছিল ব্লাসফেমির জন্য মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো। এই দলটি বাংলাদেশের শিক্ষানীতি খর্ব করার জন্য বলেছিল। কারণ এই নীতি তাদের দৃষ্টিতে ধর্মীয় শাস্ত্র অধ্যয়নের চেয়ে বিজ্ঞান এবং গণিতের মতো ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই দলটি বাধ্যতামূলক ইসলামিক শিক্ষাও চেয়েছিল।

হুমকির মুখে ইসলাম
এই ইসলামপন্থিদের তুষ্ট করতে সরকার তাদের কিছু দাবি পূরণে সম্মত হয়েছিল।
একটি বড় ছাড় ছিল, ‘ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত’ এবং ‘ধর্মের অবমাননার দায়ে সরকারের ক্রাকডাউনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন নামে পরিচিত এই সংশোধিত আইনের আওতায় বাংলাদেশ ২০১৩ সাল থেকে কমপক্ষে আটজন ব্লগারকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ব্লগারদের কথিত অপরাধের মধ্যে সৌদি সরকারের সমালোচনামূলক নিবন্ধ লেখা এবং অনলাইনে হজরত মুহাম্মদ (স.)কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য পোস্ট করার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা নিরব করে দেয়ার জন্য পুলিশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মানহানির ধারাটি এবং ২০১৮ সালের ডিজিটাল সুরক্ষা আইন ব্যবহার করেছে। ২০১৩ এবং ২০১৮ সালের মধ্যে এই আইনের আওতায় ১২০০ জনেরও বেশি লোকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

শিক্ষানীতিও ইসলামী শিক্ষার দিকে এগিয়ে গেছে ইসলামী পুনরুজ্জীবন
হেফাজত তাদের সমস্ত দাবি পূরণ করতে দেখেনি, তবে আমার গবেষণায় দেখা গেছে যে, এটি বাংলাদেশকে তার ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী আদর্শ থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে।
সত্যি বলতে কি, ১৯৭৫ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজে ইসলামের ভূমিকার পরিবর্তনটি সূচিত হয়েছিল।
এর পরে, বাংলাদেশ যথেষ্ট রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ১৯৯০ সাল পর্যন্ত একের পর এক সামরিক সরকার দ্বারা শাসিত ছিল। নব্বইতে একটি অহিংস আন্দোলনে গণতন্ত্রে ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
সামরিক একনায়কতন্ত্রের বছরগুলোতে, সামরিক শাসকরা ধীরে ধীরে ইসলামবাদীদের কাছে রাজনীতি উন্মুক্ত করতে শুরু করেছিলেন।

১৯৭৫ সালে ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। যা জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে এবং বৈধ বাংলাদেশি রাজনৈতিক দল হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অনুমতি দিয়েছিল। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতি সরিয়ে দেয়া হয়েছিল। ১৯৮৮ সালে ইসলামকে সরকারীভাবে রাষ্ট্রধর্ম করা হয়।

ধর্মীয় বিদ্যালয়- মাদ্রাসার সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ে। ১৯৭৫ সালের ১,৮৩০ সংখ্যাটি ১৯৯০ সালের মধ্যে বেড়ে ৫,৭৯৩ এ পৌছে যায়। আর এগুলো কেবল রাষ্ট্র অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান, যারা সরকারি পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে।
আর বাংলাদেশে বেসরকারি মাদ্রাসার সংখ্যা কত সেই বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুপস্থিত। এগুলো সরকারিভাবে পাঠ্যক্রমিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই পরিচালিত হয়।

সমাজে পরিবর্তন
আজকের বাংলাদেশে আরো একটি প্রভাবশালী দল রয়েছে। তারা ‘বিশুদ্ধ’ ইসলামের আলোকে সমাজ গঠনে আগ্রহী।
জনপ্রিয় ইসলামিক টেলিভিশনবিদরা (টিভি বক্তা) সমগ্র মুসলিম বিশ্ব জুড়ে লাখ লাখ লোকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন এবং এই ধারণাটি তারা ছড়িয়ে দিয়েছেন যে, ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামকে অবশ্যই আরবহীন উপাদানগুলো থেকে ‘শুদ্ধ’ হতে হবে। তারা বিশ্বাস করেন, আরবি সৃষ্টিকর্তার ভাষা এবং সঠিকভাবে তাকে খাঁটি রাখতে হবে। মুসলমান মাত্রই উচিত, যখনই সম্ভব আরবি রীতিনীতি অনুশীলন এবং ভাষাটিও ব্যবহার করা।

উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ এশিয় মুসলমানরা বিদায় নেয়ার সময় সাধারণত ‘খুদা হাফিজ’ বলে থাকেন, পার্সিয়ান থেকে উৎপন্ন এই বাক্যাংশের অর্থ ‘সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হোন।’ এখন, একজন জনপ্রিয় ইসলামিক টেলিভিশনবিদ জাকির নায়েক, ১৯৮০-এর দশকে পাকিস্তানে উৎসারিত একটি পুরানো যুক্তি পুনরুদ্ধার করে বলেছেন যে, ‘প্রকৃত মুসলমানদের’ উচিত ‘খুদা হাফিজের’ পরিবর্তে আরবি সংস্করণ ‘আল্লাহ হাফিজ’ ব্যবহার করা।

একইভাবে, বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি যেমন আমাকে বলেছেন, মুসলিমদের পবিত্র মাসে এখনকার বাংলাদেশে পারস্য উচ্চারণে ‘রমজান’ ব্যবহার করার পরিবর্তে আরবি উচ্চারণে ‘রমাদান’ বলাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
এগুলো সামান্য শব্দার্থক পরিবর্তনের মতো মনে হতে পারে। তবে এগুলো প্রকারান্তরে একটি বিস্তৃত ‘সংশোধনমূলক আন্দোলনের’ প্রতিনিধিত্বকারী, যা ‘অ-ইসলামিক’ বলে প্রতীয়মাণ হওয়া প্রবণতাগুলো থেকে ‘পবিত্র’ হতে চাইছে।
আমার দৃষ্টিতে, বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষতা একটি সংবিধানিক ধারণা, যাতে ধর্ম ও রাষ্ট্রের পৃথককরণের গ্যারান্টি ছিল। কিন্তু ইসলামপন্থিদের দ্বারা এটা এতটাই অবজ্ঞাপূর্ণ হয়ে গেছে যে, এই ধারণাটি ‘নাস্তিক’ বা ‘ইসলামবিরোধী’ ধারণার সদৃশ কিছু একটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

[ নিবন্ধটি এপি গ্রাহকদের জন্য দি কনভারসেশন পরিবেশিত। ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত নিবন্ধটি অবিকল তরজমা করা হয়েছে। দি কনভারসেশন একটি স্বাধীন ও অমুনাফাভোগী সংস্থা, যারা একাডেমিক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পাওয়া সংবাদ, বিশ্লেষণ এবং ভাষ্য প্রচার করে থাকে।]

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

zahirul hoque

২০২০-০২-২২ ২০:৫২:৩১

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধে জিতে ১৯৭১ সালে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিমালার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একথা কে বলেছে? ইতিহাস ঘাটুন।

ফয়জুল্লাহ আমান

২০২০-০২-২২ ০০:২৬:২২

সুন্দর পোস্ট

ফয়জুল্লাহ আমান

২০২০-০২-২২ ০০:০৯:১২

খুব ভালো লাগলো। বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শুধু রক্ষণশীল না বলে কট্টর বা গোঁড়া একরোখা বিশেষণ যুক্ত করা যেতে পারে। নামাজ শব্দ বাদ দিয়ে সালাহ ব্যবহার করছে। বাংলা ভাষাকে আরবী বিন্যাসরীতিতে লেখার চেষ্টা করছে। বাকি এগুলো সব উপসর্গ। মূল সমস্যা গভীরে প্রথিত। আল্লাহ হেফাজত করুন।

জসিম উদ্দীন

২০২০-০২-২১ ১৭:২৬:৩৮

ইসলাম নিয়ে সেক্যুলারদের চুলকানি অনিরাময়যোগ্য রোগ। পড়াশোনা ছাড়া সব বিষয়ে মতামত দেয়া, অন্য কোন পেশায় সুবিধা করতে না পেরে জগা ছাত্র সাংবাদিক তথা সবজান্তার আজকাল ফ্যাসন হয়ে দাড়িয়েছে। গুটিকয়েক লোকের অল্প বিদ্যার ভয়ংকর থিউরি সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়াটাই সেক্যুলারিজম।

Ramizukhan

২০২০-০২-২১ ১৬:৫৪:৫৩

পাকিস্তান আমলে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ও ইয়াহিয়া খান তথা আমরা সবাই খোদা হাফেজ বাংলাদেশ বলতাম। ৮০ দশকে ও দেখেছি প্রায় প্রতিটি ব্রিজের খোদা হাফেজ লিখা থাকত ।৯০ দশক থেকে প্রয্যায় ক্রমে আল্লাহ হাফেজ লিখা শুরু হল।ইহা আমার স্বচক্ষে দেখা। রমীজ উদ্দীন খাঁন নিউইয়র্ক

মালেক

২০২০-০২-২২ ০১:২৫:১৮

বাংলাদেশে ইসলাম এবং মুসলমান দের নিয়ে একটি সুলিখিত প্রবন্ধ। তবে নিবন্ধকার যে একজন ছদ্মবেশী ইসলাম বিদ্বেষী সাংবাদিক এবং পৃথিবীর ইসলাম বিরোধী সংস্থার সাথে যোগাযোগ রাখেন এটা এই প্রবন্ধ খুব ভাল করে পড়লে পরিস্কার বুঝা যায়। এই লেখক আমাদের মনে করিয়ে দেয় ছয় সাত শত বছর পূর্বেকার কথা, যখন বহু শংখক ইহুদি ছদ্ম মুসলিম সেজে মুসলিম জাহানের ব্যাপক ক্ষতি করেছিল।

আপনার মতামত দিন



শেষের পাতা অন্যান্য খবর

বড় সংকটে শ্রমবাজার

২৭ মার্চ ২০২০

করোনা ভাইরাস নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

দক্ষিণ এশিয়ায় বাড়ছে সংক্রমণ

২৭ মার্চ ২০২০

আতঙ্কের জনপদ নিউ ইয়র্ক

আরো চার বাংলাদেশির মৃত্যু

২৬ মার্চ ২০২০



শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত