৬৮ বছর পরেও গণতন্ত্রের জন্য চিৎকার করতে হয়: ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার

শেষের পাতা ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৪

যে চেতনার ভিত্তিতে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতাযুদ্ধ হয়েছিল সেই চেতনা আজকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৬৮ বছর পরেও অর্জন করতে পারিনি। সেটাকে ধ্বংস করা হয়েছে। এখন গণতন্ত্রের জন্য চিৎকার করতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিল মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ সম্পূর্ণরূপে একটা নতজানু রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। পানি সমস্যার সমাধান হয় না, সীমান্তে হত্যা হয় তার কোনো বিচার হয় না, একটা কথা বলতে  পারে না। আমাদের দুর্ভাগ্য, ৬৮ বছর পরে গণতন্ত্রের জন্য চিৎকার করতে হয়।
আমরা এখান থেকে উঠে দাঁড়াতে চাই। আমরা অতীতে উঠে দাঁড়িয়েছি। এ সমস্যা শুধুমাত্র বিএনপির নয়, এটা গোটা জাতির সমস্যা। সমগ্র জাতি আজকে পরাধীন হয়ে যাচ্ছে, সমগ্র জাতি আজকে অর্জনগুলোকে হারাচ্ছে। তাই আমাদের সকলকে উঠে দাঁড়াতে হবে, প্রতিবাদ করতে হবে। সোচ্চার হতে হবে, রাস্তায় নামতে হবে, সমস্ত অর্জনগুলোকে ফিরিয়ে আনতে হবে।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য আমাদের, যে নেত্রী গণতন্ত্রের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন, তার রাজনৈতিক জীবনের পুরোটাই ত্যাগের মধ্যে দিয়ে নিয়ে গেছেন। এখনও যে তিনি কারাবরণ করে আছেন, সেটাও গণতন্ত্রের জন্যে। তাকে আজকে অসুস্থ অবস্থায় অন্ধকার কারাগারে পড়ে থাকতে হয়েছে। মনে হয়, এই ৬৮ বছর সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়ে গেছে। কিন্তু ব্যর্থ হয়নি, আমরা এই ৬৮ বছরে সংগ্রাম করতে করতে আমরা একটা রাষ্ট্র পেয়েছি, আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস প্রমুখ অংশ নেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০২০-০২-২১ ১৮:১৩:৩৩

দলে গণতন্ত্র চর্চা করতে হয়। সেই চর্চা আছে কি ? দলের প্রতিষ্ঠাতার বংশধর বংশানুক্রমে সৎ বা অসৎ নির্বিশেষে দলের প্রধান থাকে। এটা কি গণতন্ত্র ? এই ধারা চললে ৬৮ হাজার বছর পরও গণতন্ত্র চালু হবে না।

Ramizukhan

২০২০-০২-২১ ১৭:০২:২৭

আমরা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় যাহা করি বা বলি , ক্ষমতায় না থাকলে এর উল্টো টা বলি বা করি। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকি বলে আমার ব্যক্তিগত অভিমত। রমীজ উদ্দীন খাঁন নিউইয়র্ক।

আপনার মতামত দিন



শেষের পাতা অন্যান্য খবর

বড় সংকটে শ্রমবাজার

২৭ মার্চ ২০২০

করোনা ভাইরাস নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

দক্ষিণ এশিয়ায় বাড়ছে সংক্রমণ

২৭ মার্চ ২০২০

আতঙ্কের জনপদ নিউ ইয়র্ক

আরো চার বাংলাদেশির মৃত্যু

২৬ মার্চ ২০২০



শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত