কুমিল্লায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণ

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে

এক্সক্লুসিভ ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) উত্তর আশ্রাফপুর এলাকায় একটি বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুইটি রিট পিটিশনের শুনানি শেষে গত বছরের ১৫ই ডিসেম্বর কাজ বন্ধসহ রুলের জবাব দাখিলের জন্য হাইকোর্টের দেয়া আদেশের পর সংশ্লিষ্ট ভবন মালিক তড়িঘড়ি করে দিনে-রাতে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়। গতকাল সোমবার রিট পিটিশনের দুই বাদী কুসিক মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পৃথক ওই অভিযোগ দাখিল করেন।
বাদীদ্বয় ও তাদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নগরীর উত্তর আশ্রাফপুর (হালুয়াপাড়া) এলাকার জয়নাল আবেদীন ও মোশারফ হোসেন সিটি করপোরেশন থেকে ৫তলা ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন নেন। পরে নকশা অনুমোদনের ছাড়পত্রের শর্তাবলী ও ইমারত নির্মাণ আইন অমান্য করে নির্মাণাধীন ভবনের চারপাশে জায়গা ছাড় না দিয়ে তারা ৬ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে নির্মাণাধীন ওই ভবনের লাগোয়া ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা ইউসুফ আলী, ইউনুছ মিয়া এবং ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ কুসিক মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক অভিযোগ করেন। কিন্তু সিটি কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় ইউসুফ আলী এবং ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে পৃথক দুইটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। উভয় রিট পিটিশনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত বছরের ১৫ই ডিসেম্বর পৃথক আদেশ দেন। বাদীপক্ষের এড. সাদিয়া তাসনিম জানান, আদালত মো. ইউসুফ আলীর মামলায় কুমিল্লা সিটি মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভবন মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের অনুমোদিত নকশাবহির্ভূত ভবনের অংশ ভাঙার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়তার কারণ জানতে চেয়ে রুল ইস্যু করেন এবং অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শফিকুল আলম হেলালের মামলায় একই কারণ জানতে চেয়ে ভবন নির্মাণে ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রুলের জবাব দাখিলের জন্য আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার বাদী ইউসুফ আলী ও ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শফিকুল আলম হেলাল সাংবাদিকদের জানান, হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে ভবন মালিক অতিরিক্ত শ্রমিক কাজে লাগিয়ে দিনে-রাতে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি গতকাল সোমবার সিটি মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে জানার জন্য নির্মাণাধীন ভবনের মালিক জয়নাল আবেদীনের মোবাইলফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তা বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। কুসিক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু সাংবাদিকদের বলেন, দুইটি রিট পিটিশনের পৃথক আদেশের কপি আমরা পেয়েছি এবং পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য তা সিটি করপোরেশনের আইনজীবীর নিকট দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সহসাই পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে কাজ করা হলে সরজমিন পরিদর্শন করে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত দিন



এক্সক্লুসিভ অন্যান্য খবর

করোনা ভাইরাসে

নতুন চিকিৎসা ১২ ঘণ্টায় সফলতা!

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সাক্ষাৎকারে মানারাত ইউনিভার্সিটির ভিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃষ্টি করা

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আইসিস বধূ শামীমা এখন যেমন

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

১৫ রঙের ফুল এখন গাজীপুরের গবেষণা মাঠে

লিলিয়াম চাষে নতুন সম্ভাবনা

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০



এক্সক্লুসিভ সর্বাধিক পঠিত



সাক্ষাৎকারে মানারাত ইউনিভার্সিটির ভিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃষ্টি করা

১৫ রঙের ফুল এখন গাজীপুরের গবেষণা মাঠে

লিলিয়াম চাষে নতুন সম্ভাবনা