শিবির সন্দেহে মারপিট ১৪ বছরের কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ

আসিফ নজরুল

ফেসবুক ডায়েরি ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:০৬

ঢাবির জহুরুল হক হলে শিবির সন্দেহে কয়েকজনকে সারারাত অমানুষিকভাবে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ। এটি বেআইনী ও সশ্রম কারাদণ্ডযোগ্য কাজ। এটি যারা করেছে সেই ছাত্রলীগের ছেলেদের পুলিশে দেয়া হয়নি। হলের দায়িত্বে থাকা ঢাবি শিক্ষকরা পুলিশে দিয়েছে মার যারা খেয়েছে উল্টো তাদের।

উল্লেখ্য, শিবির করা বাংলাদেশের আইনে এখনো কোন অপরাধ নয়। বরং শিবির করে এ সন্দেহে কাউকে আটক, তল্লাশী, মারপিট সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ। কাউকে মেরে ফেলা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ।

যাদের দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার কারণে এসব নির্যাতন অবাধে করা যাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলোর দায়িত্বে থাকা সেই শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও  ফৌজদারী মামলা করা যাবে।

এ ধরনের মামলার কোন সময়সীমা নেই। মনেপ্রাণে তাই আশা করি, যারা অন্যায় মারের শিকার হচ্ছেন তারা শুধু নির্যাতকদের নয়, ঐসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও একদিন মামলা করার সুযোগ পাবেন। ১০-২০ বছর পর হলেও।

(লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক, লেখাটি তার ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া।)।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mohammed Ali

২০২০-০১-২৩ ০৭:২৮:৫৪

আসিফ নজরুল স্যারকে ধন্যবাদ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো শিক্ষিত মেরুদণ্ডহীন নেতৃত্ব এর কারণে আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে। আপনার মত মুক্ত মনের স্বাধীনচেতা শিক্ষকের বড় অভাব।

Md. Harun Al-Rashid

২০২০-০১-২৩ ১২:১৪:০০

হলের সংশ্লিষ্ট দাগাবাজ শিক্ষক কী শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের মহান ত্যাগ সমন্ধে অবহিত নন? তা হলে কি করে একজন মহান ব্যক্তির নামে প্রতিষ্ঠিত ভবনে এমন নিষ্ঠুরতা চলতে দিলেন? আগে এদের বিচার চাই।

আপনার মতামত দিন

ফেসবুক ডায়েরি অন্যান্য খবর

সমস্যা কি তাইলে বোরকায়?

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

শাইখুল হাদিস থেকে আল্লামা আহমদ শফী:

আল্লামা আহমদ শফীর পাশে একজন‌ও কি ভালোবাসার মানুষ নেই?

৪ সেপ্টেম্বর ২০২০



ফেসবুক ডায়েরি সর্বাধিক পঠিত