জেগে উঠেছে পুরনো প্রেম পালিয়েছেন বরের পিতা ও কনের মা

মানবজমিন ডেস্ক

এক্সক্লুসিভ ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার

বলিউডের সুপারহিট ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’ ছবিই যেন বাস্তবে মঞ্চস্থ হলো। ওই ছবিতে মোহনিশ বেহলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল কনে রেনুকা শাহানে’র। কিন্তু কিসের বিয়ে, কিসের কি! মোহনিশ বেহলের আঙ্কেল অলোক নাথ আর কনে শাহানের মা রিমা লাগু ঘটিয়ে ফেলেছেন নতুন এক লাভস্টোরি। তারা দু’জনে একে অন্যের হাত ধরে পালিয়ে গেছেন। ফলে মেয়ে- ছেলের বিয়ে ভেঙে গেছে। রিমার সঙ্গে কলেজ জীবনে প্রেম ছিল অলোক নাথের। সেই প্রেম দাগ কেটে ছিল রিমার হৃদয়ে। সেই দাগ মুছে দিতে সক্ষম হননি রিমার স্বামী অনুপম খের।
ঠিক সেই ঘটনাকে যেন অতিক্রম করে গেছে গুজরাটের সুরাটের এক প্রেম কাহিনী। সেখানেও এক বরের পিতা ও কনের মাতা পালিয়ে গেছেন। ১০ দিনের উপরে তারা নিখোঁজ। এ খবর প্রকাশ করেছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া। এতে বলা হয়, কলেজ জীবনে তারুণ্যের দিনগুলোতে ওই বরের পিতা (৪৮) ও তার হবু স্ত্রীর মায়ের (৪৬) মধ্যে প্রেম ছিল। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের সন্তানদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা বাস্তবে রূপ পাওয়ার আগেই তাদের মধ্যে পুরনো ভালোবাসা জেগে ওঠে। বিগলিত হয় মন। তারপর দু’জনেই একে অন্যের হাতে হাত রেখে পালিয়ে যান। এর ফলে ১০ দিনের বেশি তারা কোথায়, তা কেউ বলতে পারছেন না। হবু ওই বরের বাড়ি কাতারগাম এলাকায়। আর কনের বাড়ি নাভসারিতে। তাদের পিতা ও মাতা কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে হঠাৎ উধাও। জোরালোভাবে বিশ্বাস করা হচ্ছে যে, পুরনো চাল যেমন ভাতে বাড়ে, তেমনি পুরনো প্রেম তাদেরকে আন্দোলিত করেছে। তারা নিজেদেরকে সামাল দিতে পারেননি। পরিবার পরিজন ফেলে পালিয়েছেন। এর ফলে পরিবারের অন্য সদস্যরা পড়েছেন বিব্রতকর অবস্থায়। উভয় পরিবারই এ বিষয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে।

হবু বর ও কনের মধ্যে এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে এক বছর আগে।  ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের বিয়ের আয়োজন চলছিল। নিজেদেরকে তারা সেভাবে প্রস্তুত করছিলেন। কিন্তু বিনা মেঘে যেন বজ্রপাত ঘটে গেছে। বিয়ের এখন প্রায় এক মাস বাকি। কিন্তু এ অবস্থায় বরের পিতা ও কনের মার এই পলায়ন সবাইকে হতবাক করেছে। বরের পিতা রাকেশ (পরিবর্তিত নাম) একজন পোশাক ব্যবসায়ী। গত ১০ই জানুয়ারি থেকে তার টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিজের আমরেলি জেলায় তিনি একটি রাজনৈতিক দলেরও সদস্য। কনের মা স্বাতীকে (পরিবর্তিত নাম) তিনি চিনতেন টিনেজ বয়স থেকেই। কাতারগাম এলাকায় তারা ছিলেন প্রতিবেশী। তাদের মধ্যে ছিল বন্ধুত্ব। উভয় পরিবারের আত্মীয় এমন একজন বলেছেন, ওই সময় থেকেই তারা একে অন্যকে চিনতেন। তারা একই সমাজে বসবাস করতেন। তাদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধু আমাদেরকে নিশ্চিত করেছেন যে, তারা পালিয়ে গেছেন। কারণ, তাদের মধ্যে আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। যদিও বর্তমান স্বামীর সংসার করছিলেন স্বাতী। তিনি ভবনগর জেলার একটি পরিবারের মেয়ে। কাতারগাম এলাকায় একজন ডায়মন্ড শিল্পীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পরে তিনি ব্রোকার হিসেবে উপার্জনের পথ খোঁজেন। তাদের এই পলায়ন এখন সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাদের ছবি সেখানে খুব বেশি শেয়ার দেয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত দিন



এক্সক্লুসিভ অন্যান্য খবর

করোনা ভাইরাসে

নতুন চিকিৎসা ১২ ঘণ্টায় সফলতা!

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সাক্ষাৎকারে মানারাত ইউনিভার্সিটির ভিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃষ্টি করা

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আইসিস বধূ শামীমা এখন যেমন

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

১৫ রঙের ফুল এখন গাজীপুরের গবেষণা মাঠে

লিলিয়াম চাষে নতুন সম্ভাবনা

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০



এক্সক্লুসিভ সর্বাধিক পঠিত



সাক্ষাৎকারে মানারাত ইউনিভার্সিটির ভিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃষ্টি করা

১৫ রঙের ফুল এখন গাজীপুরের গবেষণা মাঠে

লিলিয়াম চাষে নতুন সম্ভাবনা