পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট প্রত্যাহার

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৩ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:০৫
ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে পেট্রোল পাম্প ও ট্যাঙ্কলরি মালিক-সমিতি। গতকাল কাওরান বাজারে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লিয়াজোঁ কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠক থেকে এই ঘোষণা আসে। এর আগে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ২৬ জেলায়  রোববার সকাল থেকে  জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, আমাদের দাবিগুলো মেনে নেয়ার বিষয়ে উনারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন তাই মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা  করে আমরা ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি। আমরা আশাবাদী তারা আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিবেন। প্রত্যাহার নাকি স্থগিত? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামী ১৫ই ডিসেম্বর বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর আহ্বানে আন্ত:মন্ত্রণালয় বৈঠকে আমাদের দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে তাই ১৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা এটা প্রত্যার করছি, তবে এটা প্রত্যাহারই ধরে নিতে পারেন। আমরা জনগণের ভোগান্তি চাই না, আমাদের ক্রেতাদের ভোগান্তির জন্য তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি। জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহকারী রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির পরিচালক (অপারেশন ও প্ল্যানিং) সৈয়দ মেহদী হাসান বলেন, আমাদের মধ্যে একটি ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
আসলে তাদের যে ১৫ দফা দাবি রয়েছে এর মধ্যে আমাদের জ্বালানি বিভাগে দুই-তিনটি দাবি রয়েছে বাকি দাবিগুলো অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছে। তাই এ বিষয়ে ১৫ই ডিসেম্বর জালানি প্রতিমন্ত্রীর সাথে আলোচনার করে বাকি দাবিগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।  তাদের সাড়ে সাত শতাংশ কমিশন বৃদ্ধির যে দাবি রয়েছে এবিষয়ে আগামীকাল জ্বালানী বিভাগে মিটিং রয়েছে তবে এটা বাড়বে বলে আশা করছি। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুত জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, তাদের কিছু দাবি যৌক্তিক। হাইওয়েতে পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও বিভিন্ন জেলায় জোরপূর্বক চাঁদা আদায় বন্ধে আমরা উদ্যোগ নিব। মোট কথা তাদের ভোগান্তি কমাতে আমরা একটা ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করতে চাই । হয়রানি বন্ধে সবকিছু একটা ছাতার নিচে নিয়ে আসতে চাই। এবিষয়ে আমরা আলোচনা করবো।
গত ২৬শে নভেম্বর বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ১লা ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের এই ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছিলেন পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ট্যাংক লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি মিজানুর রহমান রতন। সে অনুযায়ী তিন বিভাগের সব জেলায় রোববার সকাল থেকে  পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়। পাশাপাশি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপোর শ্রমিকরা তেল উত্তোলন, বিপণন ও সরবরাহ বন্ধ রাখায় ২৬ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় বিপাকে পড়েন গাড়ি চালকরা।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

শপথ নিলেন জামায়াতের নতুন আমির

কায়সার কামাল কারাগারে

টিসিবি'র পিয়াজ বিক্রি করতে হেলমেট পরতে হয় না, তাই...

সিলেট আওয়ামী লীগে নতুন নেতৃত্ব

‘আপিল বিভাগে এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি ’

প্রতিবন্ধীরা যেন পরনির্ভরশীল না থাকে: প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত শুরু

রোববার থেকে সারাদেশের বারে আইনজীবীদের অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুয়াওয়ের নতুন আইনি চ্যালেঞ্জ

ধর্ষণ, বিভৎসতা: মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন অগ্নিদগ্ধ ধর্ষিতা

রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়রা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে: টিআইবি

মালদ্বীপকে ৬ রানে গুটিয়ে দিলো বাঘিনীরা

‘একটি নয়, তিনটি টুপি জঙ্গিরা কারাগার থেকে এনেছিলো’

আপিল বিভাগে নজিরবিহীন বিক্ষোভ (ভিডিও)

জারদারির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মেডিকেল বোর্ড গঠন

আদালত আমাদের কথা শোনেননি: জয়নুল আবেদীন