প্রয়োজন ছাড়া সিজার ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:২৪
প্রয়োজন ছাড়া অস্ত্রোপচার করার ঘটনায় শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে একটি বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বেআইনি ও অবহেলার কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।  গতকাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জে আর খান রবিন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার গোরারবাগ গ্রামের জামাল হোসেন বিপুর মেয়ে রিমা সুলতানা নিপার পক্ষে এই রিট করেন। রিটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাপরিদর্শক (আইজি), ট্রাস্ট ওয়ান হাসপাতালের পরিচালক, সংশ্লিষ্ট ডাক্তার, ডিউটি ডাক্তার ও অপারেশন থিয়েটারে কর্তব্যরত সহকারীসহ ৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনগত নোটিশ পাঠানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সে ব্যাপারে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে রিট করা হয়। আইনজীবী মো. জে আর খান রবিন জানান, জামাল হোসেন বিপুর মেয়ে রিমা সুলতানা নিপা গত ৮ই জুন প্রসবে বেদনায় নোয়াখালীর ট্রাস্ট ওয়ান হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তখন জানায়, রোগীর সিজার বাধ্যতামূলক। পরদিন ৯ জুন চিকিৎসকের পরামর্শে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

যদিও আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রসূতির জটিলতা ছিল না, এমনকি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনও ছিল না। এরপরও গত ১২ই জুন প্রসূতিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিলে তিনি বাড়িতে ফিরে যান।
এরপর প্রসূতির শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়লে ১৪ই জুন আবার একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার সেলাইয়ের জায়গায় ক্ষত দেখা দেয়। চিকিৎসকরা সেলাইতে ক্ষতের বিষয়টি স্বীকার করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ও সংশ্লিষ্ট ডাক্তারকে বিষয়টি জানানো হলে তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, বরং প্রসূতির বাবার অনুরোধে অন্য হাসপাতালের দুজন চিকিৎসককে নিয়ে আসেন। ওই চিকিৎসকরা রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এরপর গত ২০শে জুন বিআরবি হাসপাতালে ভর্তির পর দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা। বিআরবি হাসপাতালে সুস্থ হন প্রসূতি। এ হাসপাতালের চিকিৎকরা সুপারিশে বলেন, তার প্রথম অস্ত্রোপচার দরকার ছিল না। সবমিলিয়ে প্রসূতির চিকিৎসায় তার পরিবারের ব্যয় হয় ৫ লাখ টাকা। সঙ্গে ক্ষতিপূরণ ২০ লাখ টাকাসহ মোট ২৫ লাখ টাকা ট্রাস্ট ওয়ান হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইতি আক্তারের নিকট দাবি করে রিট করা হয়।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

অবশেষে পদত্যাগে বাধ্য হলেন মুসলিম অধ্যাপক

‘ছবিটি আমার জীবনে একটি অদ্ভুত পরিবর্তন এনেছে’

কড়া নিরাপত্তায় সুপ্রিম কোর্ট, এজলাসে প্রবেশে তিন ধাপে তল্লাশি

কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৯

রোহিঙ্গা নির্যাতনের ন্যায়বিচার চায় অক্সফ্যাম

বিক্ষোভ মোকাবিলায় উত্তর-পূর্ব ভারতে নামানো হল সেনা

জেনারেলদের পক্ষে ওকালতি

বৃটেনে সাধারণ নির্বাচন আজ

কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুন

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি আজ কড়া নিরাপত্তা

টিসিবি’র পচা পিয়াজ নিয়ে ক্রেতাদের ক্ষোভ

কুষ্ঠরোগীদের জন্য ওষুধ তৈরি করতে দেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

হাইকোর্ট মোড়ে ৩ মোটরসাইকেলে আগুন

ভিন্নমতের কারণে ১০ বছরে নিহত ১৫২৫, গুম ৭৮১

ভারতীয় নাগরিকপঞ্জীর সমালোচনায় রানা দাসগুপ্ত

ইউএনডিপি’র মানব উন্নয়ন সূচকে এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ