যুদ্ধাপরাধ ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগে বৃটেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে আইসিসি

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৩৯

ইরাক ও আফগানিস্তানে বৃটিশ সেনাদের ‘যুদ্ধাপরাধের’ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার ঘটনা তদন্ত করতে পারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। বিবিসি প্যানোরমা অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে রিপোর্ট প্রকাশের পর প্রথমবারের মতো এমন তদন্ত করতে পারে আইসিসি। ওই অনুষ্ঠানে বলা হয়, ইরাক ও আফগানিস্তানে বৃটিশ সেনাবাহিনী বহু বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। কিন্তু রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনী তা ধামাচাপা দিয়েছে। এ বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আইসিসি বলেছে, তারা ওই তথ্যপ্রমাণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছে। তবে বৃটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, এসব অভিযোগ অপ্রমাণিত। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় আইসিসিকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছে।
আদালত এর কোনো তদন্তের যথার্থতা পায়নি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আইসিসি। যদি তারা বৃটেনের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত হাতে নেয় তাহলে তা হবে প্রথম আনুষ্ঠানিক তদন্ত। তাই আইসিসি বলেছে, তারা নিরপেক্ষতার সঙ্গে বিবিসির তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যকে আমলে নিয়েছে এবং ঐতিহাসিকভাবে একটি মামলা হবে, যদি তারা বিশ্বাস করে যে বিচারের হাত থেকে সেনাদের রক্ষার চেষ্টা করেছে সরকার। এর আগে আদালত থেকে বলা হয়েছিল যে, ইরাকে বৃটিশ সেনারা যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছে এ বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে বেশির ভাগই বন্দিদের সঙ্গে অশোভন আচরণের। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হলো বাহা মুসা’কে হত্যা। তিনি ইরাকের বসরায় একটি হোটেলের কর্মী ছিলেন। ২০০৩ সালে বৃটিশ সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও প্রহারে তিনি মারা গেছেন। এর ফলে সরকারি পর্যায়ে একটি তদন্ত হয়। তাতে ইরাকে যুদ্ধাপরাধের জন্য একজন মাত্র বৃটিশ সেনাকে অভিযুক্ত করা হয়। কিন্তু বিবিসি প্যানোরমা এবং দ্য সানডে টাইমস তদন্ত করে নতুন কিছু তথ্যপ্রমাণ সামনে এনেছে। তাতে উঠে এসেছে বৃটেনের হেফাজতে থাকা মানুষকে কিভাবে হত্যা করা হয়েছে।



আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন -এর সর্বাধিক পঠিত