হল ত্যাগের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান, অবস্থানের ঘোষণা আন্দোলনকারীদের

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে | ৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৪৭
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবস্থানরতদের বিকালের মধ্যে হল ত্যাগের নির্র্র্দেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্দোলনরতরা। তারা ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বেলা সোয়া ৩টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি অপসারণ মঞ্চ থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ও অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। সমাবেশের সমাপনী বক্তব্যে আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে শিক্ষকরা আক্রমণ করেছেন এমন নজির নেই। গতকাল প্রক্টর ছিলেন। পুলিশ ছিল। শিক্ষকরাও ছিলেন।

সবার চোখের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে।
তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। তারা উল্টো উসকানি দিয়েছে। শিক্ষক সমতির সভাপতিও সেখানে ছিলেন। উপাচার্য নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এই নিরাপত্তাহীনতা কে তৈরি করেছে? প্রশাসন করেছে। দুর্নীতিবাজ উপাচার্য ফারজানা করেছে। তাকে এই ক্যাম্পাসে কোনোভাবেই রাখা যাবে না। তাকে অপসারিত হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প চলছে, সেই মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য হলেও তাকে সরে যেতে হবে। এর আগে বেলা সাড়ে ৩টার মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

এর মধ্যে হল না ছাড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বেলা ২টার দিকে হল প্রভোস্ট কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ এই তথ্য জানান। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি এক সভা শেষে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রথমে বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশের কথা জানান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এই নির্দেশের পর কিছু সাধারণ ছাত্র হল ছাড়লেও আন্দোলকারী ও ছাত্রলীগের কর্মীরা হলে অবস্থান নেন। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিকাল থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয়। রাতে হলের তালা ভেঙে আন্দোলনে যোগ দেন ছাত্রীরা।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

jamal

২০১৯-১১-০৯ ০৯:৩৯:৪২

ছাএদের দাবি মেনে নেওয়া উচিত। মহিলা যদি দূনি্তি করে থাকে তার বিচার হওয়া উচিত।সব ভাসি্টি শেষ করার পায়াতারা চলছে।

রিপন

২০১৯-১১-০৬ ১৯:৩২:৫৪

কথায় কথায বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ ঘোষণা, হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া - মনে হয় এসব বাজে ফেরারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সময় হয়ে গেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। বন্ধ ঘোষণা, হল ছাড়ার নির্দেশ প্রদান এসব পাশ কাটানো সিদ্ধান্ত, উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কখনই নয়। ঘটনাপ্রবাহকে আপন গতিতে বইতে দাও। সে নিজেই চূড়ান্ত সমাধানের দিকে ধাবিত হবে। হয়তো চূড়ান্ত সমাধান তোমার পছন্দের নাও হতে পারে, তোমার স্বার্থের অনুকূল নাও হতে পারে। ক্ষতি কী? তোমার চাইতে সমষ্টির কল্যাণ, সমষ্টির স্বার্থ সবসময়ই বড়। সমষ্টির কল্যাণে নিজ স্বার্থত্যাগ করতে পারো না? তবে তো তুমি বিদ্যাপীঠের উপচার্য হবার যোগ্যই নও, ঝাড়ুদার হওয়া তো দূরের কথা!

আপনার মতামত দিন

বাংলাদেশ-নেপাল যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর পরামর্শ প্রেসিডেন্টের

অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ভাঙা নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টের ৪ দফা নির্দেশনা

রাশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূত কামরুল আহসান

ইবিতে ফেল হওয়া পরীক্ষার্থী চ্যালেঞ্জ করে হলেন ৮ম

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা আগামীকাল

পিয়াজের দাম নিয়ে সংসদে তীব্র ক্ষোভ

শিক্ষার্থীদের অ্যাম্বুলেন্স সেবার নামে 'বাণিজ্য'

ভারতের আধিপত্য, বাংলাদেশের হতাশা

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সতর্ক হতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তি

ঘুষের ঝুঁকি: দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

এয়ার শো’তে অংশ নিতে আমিরাত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

টেস্ট ম্যাচ দেখতে প্রধানমন্ত্রীকে মোদির আমন্ত্রণ

রংপুর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, আগুন

ঢাকায় আসছেন ড. কলিন ফিপস ডিওং

ভারতীয় স্বার্থ রক্ষায় ৬৫ দেশে সক্রিয় ২৬৫টি ভুয়া ওয়েবসাইট

রোববার শুরু হচ্ছে প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা