বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে ‘আংশিক স্বাধীন’: ফ্রিডম হাউজ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার
ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘আংশিক স্বাধীন’। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংগঠন ফ্রিডম হাউজের সাম্প্রতিক এক জরিপ প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে। ৬৫টি দেশের ইন্টারনেট ও ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহারের স্বাধীনতা মূল্যায়ন করে ‘ফ্রিডম অন দ্য নেট’ শীর্ষক জরিপ করেছে সংগঠনটি। জরিপে ১০০’র মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে  ৪৪ পয়েন্ট ও ‘আংশিক স্বাধীন’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে। জরিপ তালিকার শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটির স্কোর ৯৫।
ফ্রিডম হাউজ মোট ২১টি প্রশ্ন  ও প্রায় ১০০ উপ-প্রশ্ন তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে জরিপ সম্পন্ন করেছে। ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে- ব্যবহারের পথে বাধা, বিষয়বস্তুর ওপর সীমাবদ্ধতা ও ব্যবহারকারী অধিকার লঙ্ঘন। প্রশ্নগুলোর উত্তর ভিত্তিতে পাওয়া স্কোর হিসেবে ফ্রিডম হাউজ দেশগুলোর ইন্টারনেট স্বাধীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করেছে: ১০০-৭০ হলে ‘স্বাধীন’; ৬৯-৪০ হলে ‘আংশিক স্বাধীন’ ও ৩৯-০ হলে ‘স্বাধীন নয়’।
জরিপে মূল্যায়ন করা ৬৫টি দেশের মধ্যে ৩৩টি দেশ গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় তালিকার নিচের দিকে নেমে এসেছে।
সবচেয়ে বেশি অবনতি দেখা গেছে যথাক্রমে সুদান ও কাজাখাস্তানে। এরপর যথাক্রমে ব্রাজিল, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের অবনতি সর্বোচ্চ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়মিত হারে বেড়ে চলেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করে। বেসরকারি ইন্টারনেট সেবার উচ্চমূল্য নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। জরিপ করার সময়কালে  মোবাইল ইন্টারনেট সেবা সংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর বিধিনিষেধ বেড়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এধরনের বিধিনিষেধ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
ফ্রিডম হাউজ বলেছে, এই জরিপ পরিচালনার সময়কালে বাংলাদেশে ইন্টারনেট স্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছে। সরকার না পদ্ধতি অবলম্বন করে অনলাইনে কার্যক্রম সীমিত করেছে। কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে। যোগাযোগ ও তৎপরতা কমাতে মোবাইল নেটওয়ার্ক সীমিত করেছে। নতুন নজরদারি কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। সাংবাদিক ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের গ্রেপ্তার করেছে।
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, নিরাপদ সড়ক ও অন্যান্য সংস্কারের দাবিতে হওয়া গণ আন্দোলনের সময় অনলাইন সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের ওপর চাপ বেড়েছে। একই ঘটনা ঘটেছিল ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়। নির্বাচনটি ঘিরে অনিয়ম ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনের পরে ২০১৯ সালে কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিউজ ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

রিপন

২০১৯-১১-০৬ ২০:০৬:০৪

সে কেমন কথা হলো? আংশিক স্বাধীন মানেই যে পরাধীন। দু' হাত স্বাধীন রেখে দু' ঠ্যাঙে ডাণ্ডাবেড়ী আর কোমরে শেকল বেঁধে স্বাধীন হাতের দিকে আঙুল তুলে বলা হলো বন্দিটি আংশিক স্বাধীন।

আনসার উদ্দিনহিরন

২০১৯-১১-০৬ ০২:১৬:১৮

তাদের জরিপ সঠিক নয়। সামাজিক মাধ্যমে যা ইচ্ছা তা বলা যায়, ভিন্ন মতাবলম্বীকে অকথ্য ভাষায় গালি। তার নামে মিথ্যা, তার / ব্যক্তির/অপসন্দের তার ভিডিও এডিটিংকরে মিথ্যা প্রচার করা যায়। এতে তাদের কিছু হয় না। এটা সরকার বিরোধিতাকারীরাই বেশী করে।

আপনার মতামত দিন

বাংলাদেশ-নেপাল যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর পরামর্শ প্রেসিডেন্টের

অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ভাঙা নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টের ৪ দফা নির্দেশনা

রাশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূত কামরুল আহসান

ইবিতে ফেল হওয়া পরীক্ষার্থী চ্যালেঞ্জ করে হলেন ৮ম

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা আগামীকাল

পিয়াজের দাম নিয়ে সংসদে তীব্র ক্ষোভ

শিক্ষার্থীদের অ্যাম্বুলেন্স সেবার নামে 'বাণিজ্য'

ভারতের আধিপত্য, বাংলাদেশের হতাশা

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সতর্ক হতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তি

ঘুষের ঝুঁকি: দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

এয়ার শো’তে অংশ নিতে আমিরাত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

টেস্ট ম্যাচ দেখতে প্রধানমন্ত্রীকে মোদির আমন্ত্রণ

রংপুর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, আগুন

ঢাকায় আসছেন ড. কলিন ফিপস ডিওং

ভারতীয় স্বার্থ রক্ষায় ৬৫ দেশে সক্রিয় ২৬৫টি ভুয়া ওয়েবসাইট

রোববার শুরু হচ্ছে প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা