এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ৩:০০

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হকের (৬৯) বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আগামী ২৪শে নভেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন আদালত। আজ বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন জেয়াদ আল মালুম, সাহিদুর রহমান ও রেজিয়া সুলতানা চমন। অন্যদিকে, ওয়াহিদুল হকের পক্ষে ছিলেন আবদুস সোবহান তরফদার ও মিজানুর রহমান।

রেজিয়া সুলতানা চমন বলেন, আজ এ মামলায় চার্জ ফ্রেমিং (অভিযোগ গঠন) হয়েছে। আগামী ২৪শে নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করে দিয়েছেন আদালত। আসামি ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে ৬০০ জনকে হত্যার ঘটনায় একটি অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। যেটি গণহত্যার অভিযোগ হিসেবে বিচার হবে। এর আগে কয়েক দফা পিছিয়ে আজ মামলাটি অভিযোগ হিসেবে গঠিত হলো।

গত বছরের ৩০শে অক্টোবর আসামি ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করে প্রসিকিউশন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন।
পরে প্রসিকিউশন পক্ষ তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালের ৫ই ডিসেম্বর এ মামলার তদন্ত শুরু করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান। এরপর ২০১৮ সালের ৩০শে অক্টোবর এ মামলার তদন্ত শেষ হয়। এ মামলায় মোট ৫৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৮শে মার্চ বিকেল অনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে অভিযুক্ত ক্যাপ্টেন ওয়াহিদুল হক রংপুর ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২৯ ক্যাভেলরি রেজিমেন্টের অ্যাডজুটেন্ট এর দায়িত্বে থেকে ৪টি সামরিক জীপে মেশিনগান লাগিয়ে গুলি বর্ষণ করে রংপুর সেনানিবাস এলাকায় ৫শ থেকে ৬০০ স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালীদের হত্যা, গণহত্যা ও অসংখ্য মানুষকে গুরুতর আহত করেছে। গুলিবর্ষণ করে সংলগ্ন এলাকায় বাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। হত্যা, গণহত্যার শিকার মানুষের লাশ পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে কয়েকটি গর্তে মাটি চাপা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

গত বছরের ২৪শে এপ্রিল সকালে আসামি ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বারিধারার বাসা থেকে ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই বছরের ২৫শে এপ্রিল তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে বিচারপতি আমির হোসেনের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আসামি ওয়াহিদুল হককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Nil

২০১৯-১০-১৬ ০৬:৫৭:১৫

Jodi sotti hoe thake fasi die daw

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

সুজনের তথ্য বিশ্লেষণ

অধিকাংশ কাউন্সিলর প্রার্থীই স্বল্প শিক্ষিত

২৫ জানুয়ারি ২০২০

২০ টাকার জন্য...

২৫ জানুয়ারি ২০২০

ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে ৩দিন ব্যাপী জাতীয় নজরুল সম্মেলন

২৫ জানুয়ারি ২০২০

ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে ৩ দিন ব্যাপী জাতীয় নজরুল সম্মেলন। এ উপলক্ষ্যে আজ সকালে শহরের পুরাতন ...





অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



আইনজীবী ইন্দিরার সমালোচনায় কঙ্গনা

ওই মহিলাকে চার দিন ধর্ষকদের সঙ্গে জেলে রাখা উচিত