কর্মশালায় বাডাস’র সভাপতির ক্ষোভ

১০ বছরেও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে নীতিমালা চূড়ান্ত করতে পারেনি সরকার

স্টাফ রিপোর্টার

দেশ বিদেশ ১৩ অক্টোবর ২০১৯, রোববার

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে জাতীয় নীতিমালার একটি খসড়া তৈরি করে তা সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছিল বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি(বাডাস)। গত ১০ বছরেও ডায়াবেটিস রোগ নিয়ে মন্ত্রণলায়ে জমা দেয়া খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করতে পারেনি সরকার। এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংঠনটির সভাপতি অধ্যাপক একে আজাদ খান। তিনি জানান, গত দশ বছর এই সংক্রান্ত ফাইল এই মন্ত্রণালয় থেকে অন্য মন্ত্রণালয় ঘুরছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নীতিমালা কোনো মন্ত্রণালয় উপস্থাপন করবে তা নিয়েও চলছে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। গতকাল মহাখালী ওষুধ প্রশাসন মিলনায়াতনে সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। ওষুধ প্রশাসন ও বাংলাদেশ হেলথ্‌ রিপোর্টার্স ফোরাম যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করেছে।
এতে সহযোগিতা করেছে নভো নরডিস্ক। বাডাস’র সভাপতি অধ্যাপক একে আজাদ খান আরো বলেন, বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগী বাড়ছে। তবে এর সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও আনুমানিক ৫০ লাখ লোক এই রোগে আক্রান্ত। গ্রামের চেয়ে শহরে ডায়াবেটিসের রোগী বেশি। বহুবিধি কারণে এটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে জীবন-যাত্রার পরিবর্তন, নগরায়ন, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া ইত্যাদি। তিনি আরো জানান, দেশে ৫০ শতাংশ অপরিকল্পিত গর্ভপতি হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে ৫৭ শতাংশ লোক জানেনা যে তার ডায়াবেটিস রোগ আছে। বছরে এই রোগে প্রায় এক লাখ লোক মারা যাচ্ছে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে জাতীয় নীতিমালার একটি খসড়া তৈরি করে তা সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে-ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে যাতে প্রতিটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেয়া উচিত। স্কুল-কলেজে খোলা মাঠ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এককভাবে না পারলেও কয়েকটি স্কুল বা কলেজ সম্মিলিতভাবে একটি খেলার মাঠের ব্যবস্থা করে সে ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা যেতে পারে। টিভি-রেডিও-সংবাদপত্রে সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন বা স্লোগান প্রচারের ব্যবস্থা করা দরকার। এলাকাভিত্তিক ওয়াকিং ক্লাব, সুইমিং ক্লাব ইত্যাদি গড়ে তোলা উচিত। গৃহায়ন কর্মসূচির অনুমতি দেয়ার সময় হাঁটাচলার জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা ও খেলাধুলার জন্য কিছুটা জায়গা রাখার বিধান রাখা যেতে পারে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে স্বাস্থ্যশিক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে। বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে(যেমন মসজিদে খুতবার সময়) ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্য রক্ষা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক বক্তৃতা করার ব্যাপারে ধর্মীয় নেতাদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।
 অনুষ্ঠানে ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, তারা ১১৭ আইটেমের ওষুধের দাম নির্ধারণ করে থাকেন। বাকি ওষুধের দাম নির্ধারণে তাদের করার কিছু থাকে না। এই সংখ্যা আরো বাড়ানোর কাজ করছেন তারা। তবে তারা মাঝে মাঝে নির্ধারিত আইটেমের দাম সমন্বয় করে থাকেন। বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি তৌফিক মারুফের সভাপত্বিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন দৈনিক সমকাল-পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, নভো নরডিস্ক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনান্দ শেঠি, হেড অব কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স মো. তানবীর সাজিব, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার গাজী তাওহীদ আহমেদ প্রমুখ।

দেশ বিদেশ অন্যান্য খবর

বাজার সম্প্রসারণে জার্মান বিনিয়োগ পেলো ওয়ালটন

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে বিশ্বের দ্রুত অগ্রসরমান ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনের পাশে দাঁড়াচ্ছে জার্মান বিনিয়োগ এবং ...

ট্রাম্পকে অভিশংসনের দুটি আর্টিকেল অনুমোদন কংগ্রেসে

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন প্রক্রিয়ায় দুটি অভিযোগ বা আর্টিকেল অনুমোদন করেছে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের ...

ক্ষমতা না-ও ছাড়তে পারেন মাহাথির মোহাম্মদ

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

 ২০২০ সালের পরেও ক্ষমতায় থেকে যেতে পারেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ। কাতারের রাজধানী দোহা’য় ...

সুদানের ক্ষমতাচ্যুত বশিরের রায় ঘোষণা

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

প্রায় ত্রিশ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত সুদানের শাসক ওমর আল বশিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা ...

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সফরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের সতর্কতা

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কেন্দ্র করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান সহিংস বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ভ্রমণ সতর্কতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ...

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনে ঢাকা-দিল্লির ‘স্বর্ণালী’ সম্পর্ক কেঁপে উঠেছে

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘ট্রাবল-ফ্রি’ বা ঝামেলামুক্ত হিসেবে দেখে ভারত, যেখানে বহুবিধ সমস্যা রয়েছে। এমনকি বলা ...

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে হবে: ঢাবি ভিসি

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন,শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও ...

বিজয়ের শেষ ৩ দিন পাগলা কুকুরের মতো ছিল হানাদাররা

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

 চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের শেষ ৩ দিন পাক হানাদার বাহিনীর আচরণ ছিলো পাগলা কুকুরের মতো। রসদ ...

এনআরসি সমস্যা উপমহাদেশে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি করবে-মির্জা ফখরুল

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

ভারতের এসআরসি বিল শুধু বাংলাদেশেই নয় পুরো উপমহাদেশে একটা অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি করবে বলে মন্তব্য ...





পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

ahammad

২০১৯-১২-১৪ ১২:১৮:৪৬

জনাব,জুয়েল সাহেব জনগনের শেষ বিশ্বাসের জায়গা সশস্রবাহিনী। দয়া বির্তকসৃষ্টির সুযোগ করে দিবেন না। কথায় বলে ঠকুরঘরে কেরে,আমি কলা খাই নাই।

আপনার মতামত দিন

দেশ বিদেশ সর্বাধিক পঠিত