‘আয়া নয় যেন লাট বাহাদুর’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রোববার, ১২:৩৩ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:০৭
গাজীপুরের একজন নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অপর একজন নারী চিকিৎসকের আচরণে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি তার ক্ষোভ ঝেড়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যম চাইলে নিউজ করতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গাজীপুরের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমা তার নিজের ফেসবুক ওয়ালে জানান, সম্প্রতি তিনি রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন। তিনি অন্য সাধারণ রোগীর মতোই সেখানে যান। কিন্তু তার সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয় তা মোটেই শোভনীয় নয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমার শনিবার রাতে (১৪ই  সেপ্টেম্বর) লেখেন-

‘আমি সাধারণত নিজের কর্মস্থলের বাইরে ডাক্তার দেখালে পরিচয় দিয়ে যাই না, কথা প্রসঙ্গে পরিচয় বের হলে সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু আজ জনমের মত শিক্ষা হলো, জীবনে আর কোথাও যাই করি, এদেশে ডাক্তার দেখাতে গেলে নিজের পরিচয় না দিলে কোন কোন ডাক্তারের কাছে মান-ইজ্জত তো থাকবেই না, বরং কুকুর-বিড়ালের মত আচরণ পেতে হতে পারে।
যদিও সব ডাক্তার এক রকম নয়।’

তিনি লেখেন, ‘আজ ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে গাইনী বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডক্টর কোহিনূর বেগম (প্রাক্তন অধ্যাপক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ) এর কাছে পরামর্শের জন্য গিয়েছিলাম। প্রথমে একজন সহকারি রোগের কথা শুনে সামারি লিখে নিলেন, খুব ভালো। কিন্তু ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে দেখি, তিনি অন্য রোগী দেখছেন। ডাক্তার এতই ব্যস্ত যে, একজন আয়া এসে আমার কাছে আমার রোগ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আয়াটার কাজ হচ্ছে, রোগের ‘র’ টা শুনবে, আর অমনি রোগীকে শুইয়ে দিয়ে রোগীর কাপড় খুলে নিবে। আমি বললাম, আমার কি করতে হবে না হবে, তা ডাক্তার এসে বলুক, আপনি এমন করছেন কেন? আয়া মহাশয়ার জবাবের টোন শুনে মনে হচ্ছে, তিনি কোন লাট বাহাদুর হবেন। অতঃপর ডাক্তার এসে জানালেন, তার এত সময় নেই আমাকে চেক করার, এসে বসে কথা বলতে বললেন। তিনি যখন কথা বলা শুরু করলেন, তখন মনে হল তার জিহবার সাথে একটা চাকু লাগানো আছে। রোগের কথা যা-ই বলি, তিনি তেলে বেগুনে তেতে উঠছেন।

ক্ষুব্ধ তমা আরও লেখেন, ‘ফ্রি তো দেখাতে যাইনি, সার্ভিস দিতে এত রাগ হয়, টাকাটা নিতে লজ্জা করে না? আমরা জাতি হিসেবে কবে মানুষ হব? সততা অনেক বিশাল ব্যপ্ত একটি বিষয়; শুধু ঘুষ না খাওয়া মানেই যে সততা নয়। যে কাজের জন্য টাকা নিচ্ছি, সেটা ঠিকমতো না করলে যে ঐ টাকা হালাল হয় না, টেবিলের ওপাশে সেবা নিতে আসা মানুষটার সাথে দুরাচরণ করাটা কত বড় পাপ, তা আমরা কবে বুঝতে শিখবো?’

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমা জানান, ধানমন্ডি পপুলার এর ডক্টর কোহিনূর বেগম, গাইনোকোলোজিস্ট। তার চেম্বারে আয়া এসে রোগ জিজ্ঞেস করে, ডাক্তার এর সময় বাঁচানোর জন্য, কি রোগ সেটা ডাক্তার শোনার আগেই আয়া এসে রোগীর কাপড় খুলে নেয়। এটা কেমন কথা? রোগীকে কাপড় খুলতে হবে কিনা, সেটা তো ডাক্তার বলবে তাই না? আর ডাক্তারের আচরণে মনে হচ্ছে তিনি ফ্রি চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাই তার সময় নেই, মেজাজ খারাপ। অথচ, এক হাজার টাকা ফি টা যখন নিলেন তিনি, তখন লজ্জা করলো না! রোগী হিসেবে তিনি তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kamrul Islam

২০১৯-০৯-১৮ ১৫:০৪:৩৪

এ হলো আমাদের সমাজের ডাক্তর, ডাক্তারদের কাছে রোগীরা নিরূপায় , এদের কি কোনো উন্নতি হবে না, তারা (ডাক্তাররা যদি ভালো করে রোগী না দেখে তাহলে রোগীরা আর কোথায় যাবে) , আশা করি এই ঘটে যাওয়া ঘটানিটি আরো ভালো করে করা হোক যাতে সব ডাক্তরদের কাছে পেীছে যায়। জাতি আজ খুব হতাশ!!!!!!!!

এনামুল হক ভুইঁয়া

২০১৯-০৯-১৭ ০৯:২১:৪২

ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব ডাক্তারের কথাবললেন, উনার নিজের ব্যাপারেও বললে ভালো হতো।জনগণের সাথে প্রশাসনের লোকেরা কি ব্যবহার করে।আপনারাও জনগণকে সংক্রামক রোগী মনে করেন। এ ব্যাপারে মন্তব্য আশা করি।

wahiduzzaman

২০১৯-০৯-১৬ ১৬:৪০:১৫

ডা: সাহেব কে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী করছি।

Mizanur Rahman

২০১৯-০৯-১৬ ০৩:০২:৫৫

আমি কোহিনুর ডাক্তারের কাছে বেশ কয়েকবছর আগে আমার wifeকে নিয়ে গিয়েছিলাম আমার উনি ঠিক একি আচরণ করেছিলে। আমার wife বল্লো উনি আমার কোনো কথাই শুনলেন না। যারা রিপোর্টে দিয়েছিলেন তাদের হাতের লেখাও বাচ্চাদের মতো। আমি ৬০০০/ টাকার চেকাপ করিয়ে ওনার কাছে গিয়েছিলাম। ওনার কথা শোনার সময় নে। আমি তৃতীয়বার আর জাইনি।

আনসারউদ্দিনহিরন

২০১৯-০৯-১৬ ০১:৫৩:৫২

অষ্ট্রেলিয়া আছি ৭মাস তিন মাস আগে হঠাৎ হাটুর সমস্যা দেখা দিল। আমি ৬৫, আমার কন্যা ও জামাতা দু,জনই এখানে ডাক্তার। কিন্তু তারা আমাকে দেখতে পারবেনা। যেতে হবে জেনারেল প্রাকটিশনারের কাছে এবং বিশেষজ্ঞেেের কাছে। বিশাল চেম্বার, কম্পিউটার নিয়ে ২ জন নাম অন্তর্ভুক্ত করছেন। আমি বসলাম, একটু পর ৪০/৪৫ বছরের একজন ব্যাক্তি এসেই, মাথা নুইয়ে অভিবাদন দিয়ে স্যার বলে আহবান করলেন। আমি বুজলাম ডাক্তারে সহকারী বাংলাদেশের মতো। আমি ঢুকলাম, আমার জামাতা সেও একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আমার সাথে ঢুকেলেন। আমাকে একটি সোফায় বসালেন। আমার জামাই আমার সমস্যা তার মতোকরে বুঝিয়ে বললেন। তিনি হাটুগেড়ে আমার সামনে বসে হাত দিলেন আমার পায়ের যেখানে সমস্যা হতে পারে, এক এক করে খুটিয়ে। প্রতি প্রশ্নে তিনি স্যার স্যার বলে সম্বোধন করলেন। অবশেষে প্রেসক্রিপশন করলেন। তার অবয়বে, চীনা বা ভিয়তনামী মনে হলো। বুজলাম তিনিই বিশেষজ্ঞ চিকিৎস। আমরা কোথায় আছি, একজন প্রফেসর চিকিৎসকের ব্যবহার, সে কি চিকিৎসা দিবে?

Zakaria

২০১৯-০৯-১৬ ১৪:২৪:৪৪

এর থেকে বুঝুন সাধারণ রোগীদের সাথে কি রকম আচরণ করে থাকে এরা

Salim Khan

২০১৯-০৯-১৬ ১৩:৪৪:৫৭

এর থেকে বুঝুন সাধারণ রোগীদের সাথে কি রকম আচরণ করে থাকে এরা। এদেরকে শিক্ষিত বলে। এরা জনগণকে সেবা দেন। কবে আমাদের নীতি নৈতিকতা ঠিক হবে? কেন মানুষের সাথে (বিশেষ করে রোগীদের) সদ্ব্যাবহার করার দ্বারা ক্ষতি কি আমার? আর তারা তো পয়সার বিনিময় সেবা নিতে যায়, ফ্রি না। যদি এতই মেজাজ খারাপ হয়, পেশাদারি ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে থাকুন। কেউ আপনাদেরকে ডিসটার্ব করতে যাবে না।

Abdul

২০১৯-০৯-১৫ ১২:০১:২০

তাহলে বুঝেন আপা সাধারণ মানুষজন টাকা দিয়েও কত নাকানি চুবানি খেতে হয়। ভালই হলো আপনি একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসাবে অভিজ্ঞতাটা অর্জন করেছেন। আবার কোনদিন পরিচয় ‍গোপন রাখবেন না তাও বলেছেন। একদিনই এত কষ্ট, আর আমরা যারা সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিদিনের প্রাপ্য এটা। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত এভাবে সকল কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার প্র্রয়োজন আছে। তবেই সাধারণ মানুষের হয়রানি কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

Dr. Md.Mofazzal Haid

২০১৯-০৯-১৫ ০৯:৩৯:৩১

Really, this sort of attitude towards patients should be rectified. But, it is a matter of great regret that the behaviour of our doctors in many cases doesn't comply with professional attitude as it required.

আবুল হোসেন ভূইয়া

২০১৯-০৯-১৫ ০৯:০৬:৪৭

আমি ফ্রান্সে থাকি, যখন হল রুমে অপেক্ষা করি. ডাক্তার এসে নিয়ে যায় কোনো বিরক্ত বোধ করেনা। দেশে চক্ষু পরীক্ষা করতে গিয়ে আমার এক অভিগ্যতা হয়ে ছিল। আমাকে তার সামনে বসিয়ে ব্যাবসায়িক আলাপ করছেন তার নার্সের সাথে।

nasir uddin

২০১৯-০৯-১৫ ২১:৫৩:৪২

the magistrate appears to be from USA. it is a crime that she does not know the practices prevalent in this country. i am sure even if she did introduce herself, the treatment would have been the same. what i mean to say is that the govt has to come forward deal with this situation by promulgating a harsh law regulating the doctors.

Bazlur Radhid

২০১৯-০৯-১৫ ০৮:৩৫:৩৬

সরকারতো চিকিৎসা সেবা নীচ পর্যন্ত এভাবেই পৌছে দিয়েছে।

মোঃ মাহবুবুর রহমান

২০১৯-০৯-১৫ ০৮:১৫:৪৬

ম্যাজিষ্ট্রেট মহোদয় একটি মহাসত্য তুলেছেন মাত্র। আর এতেই অনেকের আতে ঘা লেগেছে যা জ্ঞানপাপীদের মন্তব্য দেখলেই বুঝা যায়! আমরা কেন নিজেদের হীন স্বার্থ ত্যাগ করে সকল জায়গার সকল অপরাধের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্ছার হতে পারিনা??? আমাদের বিবেক ও মনুষ্যত্ব কবে জাগবে এবং ঐক্যবদ্ধ হবে?

Rahman Mujib

২০১৯-০৯-১৫ ০৫:১৬:০০

এটা ডাক্তারদের (কতিপয়) চিরায়ত চরিত্র। ডাক্তারে চেম্বারে থাকা আয়া বা বয় যারা থাকে তাদের আচরন ডাক্তার মহাশয়দের শেখানো। ডাক্তার মহাশয়রা ভালো আচরন করতে বললে তারা খারাপ আচরন করবার কথা নয়। আমরা যারা রোগী এসব আমরা পরিশ্রমের টাকা দিয়েই কিনে থাকি। তবে সাধারন মানুষ এমন পৈশাচিক আচরন থেকে মুক্তির প্রহর গুনছে....

মোঃ শরীফুজ্জামান

২০১৯-০৯-১৫ ১৭:৪৮:৪০

তাহলে বুঝেন আপা সাধারণ মানুষজন টাকা দিয়েও কত নাকানি চুবানি খেতে হয়। ভালই হলো আপনি একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসাবে অভিজ্ঞতাটা অর্জন করেছেন। আবার কোনদিন পরিচয় ‍গোপন রাখবেন না তাও বলেছেন। একদিনই এত কষ্ট, আর আমরা যারা সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিদিনের প্রাপ্য এটা। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত এভাবে সকল কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার প্র্রয়োজন আছে। তবেই সাধারণ মানুষের হয়রানি কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

Saif Mollick

২০১৯-০৯-১৫ ০৪:৪৬:৪৪

It is a very frequent picture in our medical service. Actually doctors should be taught humane attitude as a part of their education. They don't bother any professional behaviour, etiquette etc. The government is also liable for not following up their duty and responsibilities.

shishir

২০১৯-০৯-১৫ ১৬:০২:০৭

apnar potibad kora dorkarsilo

মোঃ ইউনুছআলী

২০১৯-০৯-১৫ ০২:২৯:৪০

এরা ডাক্তার নয় এরা কসাই। এদের শাস্তি হওয়া উচিত ।

Anam

২০১৯-০৯-১৫ ১৪:৫৬:৩৩

সব জায়গায় একই অবস্থা। বারডেম-2 তেও একই অবস্থা দেখছি গত ৫ বছর ধরে। আর আয়া কিংবা কমপান্ডার দের সাথে কথা বলাও তো মনে হয় পাপ । কথা বললে মনে হয় মেরে দিবে। ইনসুলিন ক্যামেন দিবে এটা বলার জন্যও কমপান্ডারকে টাকা দিতে হয়। এটা নাকি দেখানোর সময় ডাক্তারের নাই।

Muhammad Shahid

২০১৯-০৯-১৫ ০১:৫২:৩৫

কোহিনুর চরম অভদ্র ডাক্তার।অযোগ্য।

md.abdur rahim

২০১৯-০৯-১৫ ০১:০৬:৪৭

আমাদের দেশে কোন পেশার লোকজন সঠিক আচরন করে থাকে বা শিখেছে? কারন কোথাও কি জবাব দিহিতা আছে?

Rakib

২০১৯-০৯-১৫ ০১:০৫:১১

ঢাকা মেডিকেলের সাথে যারা যুক্ত ছিল তারা কখনো সৎ হতে পারবেনা। কারন ঢাকা মেডিকেল অসৎ লোকের কারখানা ।

জহির আহমদ

২০১৯-০৯-১৫ ০১:০৩:১০

বিষয়টি একজন ডাক্তার আর পেশেন্টের নয় কেবল,একজন মানুষের ব্যাবহার ও আরো মার্জিত হতে হয়। সরকারী অফিসগুলো দূর্ব্যাবহারের কারখানা। ঘুষ তো সেখানকার অজিফা। ম্যাডাম যখন আচরণকে ভালো মনে করেননি তো কিছু করার চেষ্টা করবেন আশা করছি।

K Patwary

২০১৯-০৯-১৫ ১৪:০১:১২

Same thing we saw in Ctg. Royal Hospital and her fee also TK1000

Md Harun al Rashid

২০১৯-০৯-১৫ ১৩:৪৭:০২

রোগির প্রতি এমন আচরন নিন্দনীয়।ম্যাজিস্ট্রেট ম্যাডাম এবার নিশ্চয়ই তার মক্কেলদের প্রতি সর্বদা সদাচারনের চেষ্টা করবেন।

Suman

২০১৯-০৯-১৫ ০০:১৭:১৩

দুনিয়ার সব ম্যাজিস্ট্রেট রা ফেরেস্তা .এদের কোন দূষ হয় না।একদিন যদি কেঊ সরকারি কোন কাজে কোর্ট এ যায় .তার কাছে এর চেয়ে ভয়ংকর. জায়গা আর হবেনা কিছু। কিন্তু একটা সুবিধা আছে টাকা (ঘুষ) দিলে সব ফকফকা

Shobuj Chowdhury

২০১৯-০৯-১৫ ০০:০৭:৪৫

The doctors are like butcher even in the USA some doctors have a tendency to act like butcher but not like Ko-hi- Noor.

z Ahmed

২০১৯-০৯-১৫ ১৩:০৪:১২

This is the condition of paid private medical service. Now think about medical services in govt. hospitals!!!! This is Bangladesh. There's none to complain. none to look after.

ফরিদ আহম্মেদ

২০১৯-০৯-১৪ ২৩:৫৯:২৫

পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব জায়গায়ই আমাদের পচন ধরেছে।যেহেতু আপনি একজন মেজিস্টেট আপনারা ও এই পচন ধরা দেহের একটা অংশ !

Kazi

২০১৯-০৯-১৪ ২৩:৫৫:০০

At last an UNO gain practical experience of quality of service provider in Bangladesh for fee Not FREE.

আলমগীরহুসাইন

২০১৯-০৯-১৪ ২৩:৫৪:২৮

দুর্ব্যবহার মানুষ পায় সবচেয়ে বেশি আমলাদের কাছ থেকে, এই রোগী নিজেই সেই দলের একজন। আর, যখন আপনি রোগী তখন আপনার পরিচয় দেওয়ার কোন মানে নেই, রোগীকে ডাক্তার রোগী হিসেবে দেখলেই সেটা রোগীর জন্য সবচেয়ে ভালো। এই দেশের আমলারা যতদিন নিজেদেরকে জনগণের সেবক মনে না করতে পারবে, ততদিন তারা নিজেরাও অন্য ক্যাডারদের কাছ থেকে সুন্দর আচরণ প্রত্যাশা করতে পারবে না। তবে সব পেশাজীবীদের মধ্যেই ভালো - মন্দ আছে, ডাক্তার হয়েছে বলে কেউ খারাপ নয়... এমনটা নয়। রোগীর সাথে কিছু ডাক্তারের আচরণ খারাপ তার দায় কিন্তু অনেকাংশেই আমলাদের উপর বর্তায় কারণ, আমলারা তাদের কর্তৃত্ববাদী আচরণ দ্বারা দিনে দিনে ডাক্তারদেরকে ক্ষেপিয়ে তুলেছেন তাদের বিরুদ্ধে। অপরাধী যে ই হোক, তার শাস্তি হওয়া বাঞ্চনীয়, হোক সে ডাক্তার, আমলা কিংবা পুলিশ।।।

আপনার মতামত দিন

মেনন ও তার স্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বললেন আলাল

ব্যাখা দিলেন রাশেদ খান মেনন

কারা ডিআইজি বজলুর রশীদ গ্রেপ্তার

উপাচার্য পদের মর্যাদা রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব

মাদকের বিরুদ্ধে শপথ করালেন আলোচিত বক্তা তাহেরী

খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

‘কমলেশ হত্যায় দায়ী বিজেপি নেতা’

মেনন সত্য কথা বলেছেন: ড.কামাল

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব

বৃটেনে ব্রেক্সিট বিরোধী ঐতিহাসিক বিক্ষোভ

ঢাবিতে ছাত্রদলের উপর ছাত্রলীগের হামলা

লোহাগড়ায় বোনের হাতে ভাই খুন

রাশেদ খান মেনন যা বলেছেন (ভিডিও)

হাইকোর্ট বিভাগে ৯ বিচারপতি নিয়োগ

রণক্ষেত্র ভোলা, পুলিশ-জনতা সংঘর্ষ, নিহত ৪, শতাধিক আহত (ভিডিও)

এখন দেশে চলছে ভানুমতির খেল: রিজভী