গোপালগঞ্জে বাড়ছে খুন

আসাদুজ্জামান বাবুল, গোপালগঞ্জ থেকে

অনলাইন ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, ১১:৩০

গোপালগঞ্জে খুনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। হাত-পায়ের রগ কেটে, আগুনে পুড়িয়ে, নেশা জাতীয় ট্যাবলেট খাইয়ে, শ্বাসরোধে, গলা কেটে হত্যাকাণ্ড এখন নিত্যদিনের ঘটনা। নৃশংস এসব ঘটনায় জেলাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত ১০ দিনে এ জেলায় এক শিশুসহ ৮ জন খুন হয়েছেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকালে জেলার সদর থানার কাজুলিয়া ইউনিয়নের বাজুনিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য জাকারিয়া ভূঁইয়াকে জোর করে ধরে নিয়ে তার ২ হাত ও ২ পায়ের রগ কেটে দেয় একই এলাকার আদিল উদ্দিন ও তার দলের লোকজন। এ সময় জাকারিয়ার চিৎকারে আশপাশ থেকে লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

প্রথমে গোপালগঞ্জ আড়াইশ বেড হাসপাতাল ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে জাকারিয়া মারা যান। মাছের ঘের ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি তদন্ত মো. ইদ্দিস আলী।
তিনি বলেন, ঘটনার পর শান্তিশৃংখলা ঠিক রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ  মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার রাত ৮টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিলখী গ্রামে সোহান সিকদার (১৪) নামে এক অটো-চালককে গলা কেটে হত্যা করে প্রতিবেশী এক যুবক। নিহত সোহান সিকদারের বাড়ি সদর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের নিলখী গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায়। ঘাতক শাওন সদর উপজেলার গোলাবাড়ীয়া গ্রামের আলাল ফরাজীর ছেলে। বৌলতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মীর মো. সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, শাওন ফরাজী (২৫) রোববার রাত ৮ টার দিকে সোহানের অটো গাড়ি ভাড়া করে সাতপাড় তহশীল অফিসের সামনে যান। এরপর সোহানকে নদীর পাড়ে নিয়ে চাকু দিয়ে গলা কেটে হত্যার পর তার লাশ নদীতে ফেলে দিয়ে অটো গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলায় গত ১০ দিনে ৮টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। একটি হত্যাকাণ্ডের দাফন শেষ না হতেই ঘটছে আরেকটি হত্যা-। এতে জেলাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

‘‘দ্রুত’’ কথাটির ব্যবহার নিয়ে ঢাকা–দিল্লির দ্বৈরথ

৯ জুলাই ২০২০

নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

৯ জুলাই ২০২০

নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পান্নু মিয়ার উপর পৈশাচিক আক্রমণকারীর ...



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত