৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানির আবেদন প্রত্যাখ্যান

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার
ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা মামলায় দ্রুত শুনানির আবেদন প্রত্যাখ্যান করলো ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার এক ঘোষণায় এই ধারা রদ করার কথা জানায় ভারত সরকার। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের সুপারিশে এক বিশেষ নির্দেশে ধারাটি রদ করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোভিন্দ। ধারা রদ হওয়ায় বিশেষ মর্যাদা ও সুবিধা হারায় কাশ্মীর। এই ঘোষণার পরদিনই প্রেসিডেন্টের নির্দেশ বেআইনি দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন এমএল শর্মা নামের এক আইনজীবী। পাশাপাশি মামলাটি নিয়ে দ্রুত শুনানির আবেদনও করেন তিনি। তবে বৃহসপতিবার সে আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। দ্য হিন্দু বলেছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এনভি রমনার বেঞ্চ বৃহসপতিবার এমএল শর্মার আবেদন খারিজ করে দেয়। জানায়, ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করা সম্ভব নয়। এম এল শর্মা দাবি মামলা করার সময়, আগামী ১২-১৩ই আগস্টের মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করার বিরুদ্ধে তার আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি হোক। তার আবেদনে উল্লেখ ছিল, কাশ্মীরে নেতাদের বলপূর্বক গৃহবন্দি করে এই বিল পাস করানো হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বহু কাশ্মীরি এই বিলের বিরোধিতা করে জাতিসংঘে যেতে চান। তার এই আবেদন খারিজ করে এনভি রমনার বেঞ্চ বৃহসপতিবার জানায়, যে কেউ চাইলে এই বিলের বিরোধিতা করে জাতিসংঘে নালিশ করতে পারে। কিন্তু জাতিসংঘ কী কোনো সাংবিধানিক ধারার ওপর স্থগিতাদেশ আনতে পারে? এই আইনজীবী নিজের আবেদনে লেখেন, কাশ্মীর বিধানসভায় ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিষয়টি আলোচনা করা হয়নি। সরকার অবশ্য এর পাল্টা যুক্তিটি আগেই পেশ করে রেখেছিল। তাদের যুক্তি, জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভার অস্তিত্বই নেই, সেখানে রাষ্ট্রপতির শাসন চলছে। তাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কিন্তু সমালোচকরা পাল্টা যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, যেহেতু কাশ্মীরে কার্যত কোনো বিধানসভা নেই, সেহেতু এই ধারা বাতিলের নির্দেশ অবৈধ। প্রেসিডেন্ট এভাবে সংবিধান সংশোধন করার ক্ষমতা রাখেন না। ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন জম্মু-কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্টের নেত্রী শেহলা রশিদ ও একাধিক বিরোধীদলীয় নেতারা। উল্লেখ্য, ৩৭০ ধারা রদ হওয়ায় স্বায়ত্তশাসন হারিয়েছে কাশ্মীর। এই ধারা রদের ঘোষণার দিন থেকে বহির্বিশ্বের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে সেখানকার জনগণের। পুরো রাজ্য অবরুদ্ধ করে রেখেছে ভারত সরকারের সেনারা। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সেখানে বিচ্ছিন্ন বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৬ শতাধিক ব্যক্তিকে। মারা গেছেন ১২ জন।





এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী চিদাম্বরম গ্রেপ্তার

বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় ২১শে আগস্ট হামলা

পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পরের দিন আগের চিত্র

কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ

কাশ্মীরের যে এলাকা এখনো মুক্ত

সর্ষের মধ্যে ভূত থাকতে নেই: হাইকোর্ট

ফেসবুক গ্রুপ ‘গার্লস প্রায়োরিটি’র অ্যাডমিন কারাগারে

বিতর্ক দমাতে ফুটেজ চান মেয়র আরিফ

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ইতিবাচক পথেই রয়েছে: জয়শঙ্কর

কে হচ্ছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব

তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আপিল করা হবে

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: রোগী কমে-বাড়ে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১৬২৬

এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় দুই সিটিতে ৩৯০০০০ টাকা জরিমানা

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে নতুন করে অস্থিরতা নিহত ১৯

৫ বছরে আমানত ৫ হাজার কোটি টাকা