বিরক্তিকর সহকর্মী? জব্দ করুন এইসব কৌশলে

রকমারি

অনলাইন ডেস্ক | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার
অফিসে কাজের সময় মাথা ও মেজাজ দুই-ই যদি নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারেন, তা হলে তা যেমন কাজের ক্ষতি ডেকে আনবে, তেমনই প্রভাব ফেলবে আপনার মানসিকতার উপরেও। তাই অফিসে কাজের জায়গাটি হওয়া উচিত সবচেয়ে মনের মতো। এই জায়গাটিতেই দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে। তাই এখানে স্বস্তি বা শান্তির পরিবেশ না থাকলে চাপের মুখে কাজ করাও যেমন অসম্ভব, তেমনই কাজের প্রতিও আসতে পারে বিরক্তি।

এমনিতেই অফিসে বিভিন্ন পরিবেশ থেকে আসা নানা মনের মানুষদের সঙ্গে কাজ করতে হয়। তাই সকলের সঙ্গে মনের মিল হওয়া সম্ভবও নয়। তার মধ্যে আবার কোন কোন  সহকর্মীর আচরণ হতে পারে বিরক্তিকর। তবে কেউ যদি একটু বেশিই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ান, তা হলে তার সঙ্গে কিছু কৌশল অবলম্বন করে চলুন।
এতে তিনিও বিরক্ত করার সুযোগ পাবেন না এবং আপনিও বার বার বাগ্বিতণ্ডায় না জড়িয়ে ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে পারবেন।

  • তবু এমন মানুষের কোনও রকম সমস্যার জন্য যদি নিজের কাজের কোনও ক্ষতি হয়, তা হলে তাকে সে বিষয়ে অবগত করুন। তার পরেও অভ্যাস না বদলালে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলুন।
  •   এই ব্যক্তি যদি আপনার চেয়ে বড় পদমর্যাদার হন, তা হলেও তাকে উপেক্ষা করা ঠিক হবে না। বরং এ সব ক্ষেত্রে বুদ্ধি খাটিয়ে সম্পর্ক ভাল রাখুন। যে সব বিষয়ে তিনি আলোচনা করতে পছন্দ করেন বা যে সব বিষয়ে তিনি বিরক্ত হন না, পারলে সেগুলোই আলোচনা করুন। নিজের কাজে এমন কোনও ফাঁকও রাখবেন না, যা থেকে তিনি বিরক্ত করার সুযোগ পান।
  •    কাজের প্রয়োজন বা দরকারি কথা ছাড়া এমন মানুষের সঙ্গে খুব একটা অন্য কথায় যাবেন না। তাঁর বলা কোনও কথাতেও মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন। সাধারণত এরা এক কথার অন্য মানে করে তা নিয়ে সমস্যা তৈরি করেন।
  •     মনে রাখবেন, অফিসটা কাজের জায়গা। আপনার কোনও বিরক্তিকর সহকর্মীর সঙ্গে আপনার সমস্যা নিয়ে অন্য সহকর্মীরা আপনার পক্ষ নিলেও বা তা নিয়ে সেই সহকর্মীর সমালোচনা করলেও এই অশান্তি বার বার হতে দেবেন না। এতে কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়। ধীরে ধীরে তাঁর সঙ্গে আপনিও তার সঙ্গে সহজ হয়ে উঠুন। প্রথম থেকেই এমন সহকর্মীর সামনে নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখুন। যাতে সহজে আপনার সঙ্গে কোনও বিতর্ক বা অকারণ ঝঞ্ঝাটে তিনি না জড়াতে পারেন।
  •     তার বলা কথা বা মন্তব্য নিয়ে অকারণে মাথা গরম করবেন না। বরং সে সব কথাকে মজার ছলে নিয়ে বুঝিয়ে দিন আপনি সে সব কথাকে কোনও গুরুত্বই দেননি। উপেক্ষাই এই ধরনের মানুষকে জব্দ করার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
  •   যদি এর সঙ্গে কোনও বিষয়ে সমস্যা তৈরিও হয়, তা হলে মন-মেজাজ ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত কোনও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে অংশ নেবেন না। বরং সংযত হয়ে তাকে জানান, এই বিষয়ে কিছু পরে আপনি তাঁর সঙ্গে আলোচনা করবেন।
  • সূত্র: আনন্দবাজার




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে ভারতীয় সৈনিকের মৃত্যু

বকেয়া পরিশোধ না হলে চামড়া বিক্রি বন্ধ ঘোষণা ব্যবসায়ীদের

ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধ, ভাতিজাকে গলা কেটে হত্যা

রূপগঞ্জে পানিতে ডুবে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বাড়ি ভাঙলো নদীতে, শেষ সম্বলটুকুও পুড়লো আগুনে

কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ বাংলাদেশি

এবার লা লিগার উদ্বোধনী ম্যাচেই ধারাভাষ্য দিলেন জামাল

মিরপুরের অগ্নিকান্ডে আহতদের উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসায় রেড ক্রিসেন্ট

বিয়ের এক ঘন্টার মধ্যে তালাক

ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী শিক্ষক জহিরুল গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের নতুন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো

এবার ডেঙ্গু কেড়ে নিল মনোয়ারাকেও

এবার থার এক্সপ্রেস স্থগিত করলো ভারত

কাউন্সিল উপলক্ষে ছাত্রদলের ফরম বিতরণ শুরু

পাঞ্জাবে উচ্চ সতর্কতা জারি

অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি ফখরুলের