শারীরিক জটিলতা বেড়েছে সিঙ্গাপুর গেলেন এরশাদ

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১১
জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেছেন। গতকাল দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন। অন্যবারের মতো এবারো তার সিঙ্গাপুরে যাওয়ার কারণ হিসেবে দলের পক্ষ থেকে নিয়মিত চেকআপের কথা বলা হয়েছে। তবে তার শারীরিক জটিলতা আরো বেড়েছে বলে জানিয়েছেন এরশাদের একজন ব্যক্তিগত চিকিৎসক। গতকাল সকাল ১১টার পরে বারিধারা প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসা থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন এরশাদ। এসময় পার্টির নেতাকর্মীরা বাসার উপরের তলা থেকে হুইল চেয়ারে করে তাকে নিচে নামিয়ে আনেন। এসময় এরশাদকে অনেকটা দুর্বল দেখাচ্ছিল। উপস্থিত পার্টির নেতাকর্মী কারো সঙ্গেই কোনো কথা বলেন নি।
এরশাদের ব্যক্তিগত একজন চিকিৎসক মানবজমিনকে বলেন, তার অবস্থা একেবারেই খারাপ। তার রক্ত তৈরি হচ্ছে না। বোনমেরু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনো কাজ করছে না। এ ছাড়া তার লিভারও ঠিকমতো কাজ করছে না।

এরশাদের সফরসঙ্গী রয়েছেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এরশাদের একান্ত সচিব মেজর (অব.) মো. খালেদ আখতার, এরশাদের ছোট ভাই হুসেইন মোর্শেদ এবং মোর্শেদের স্ত্রী রুখসানা খান মোর্শেদ। বিমানবন্দরে এরশাদকে বিদায় জানান জাপা  কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, সৈয়দ আব্দুল মান্নান, মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, অ্যাড. সালমা ইসলাম, সুনীল শুভ রায়, এস.এম ফয়সল চিশতী, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ফখর- উজ-জামান জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ এর আগেও দুই দফায় সিঙ্গাপুরে যান। প্রথমে নির্বাচনের তফসিলের আগে একবার সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরেন। পরবর্তীতে আবারো ১০ই ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যান। নির্বাচনের আগে ২৬শে ডিসেম্বর রাতে দেশে ফিরেন। এদিকে এরশাদের অবর্তমানে পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের। গত ১লা জানুয়ারি একটি চিঠিতে ছোটভাই পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেন। ওই চিঠিতে এরশাদের অবর্তমানে জিএম কাদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছিলো। পরবর্তীতে ‘অবর্তমান’ শব্দটি নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিলে তিনি ১৮ই জানুয়ারি সাংগঠনিক নির্দেশ নামে আরেকটি চিঠি দেন দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে। সেখানে তিনি লিখেন আমার অবর্তমানে বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিদেশে থাকাকালীন সময়ে জিএম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে দলীয় কর্মকাণ্ডে তেমন উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদকে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ব্যাংকের সংখ্যা নিয়ে সমস্যা দেখছেন না অর্থমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ঢাকার বেশির ভাগ স্থানে

অনড় সুলতান মনসুর ১৫ই মার্চের মধ্যে শপথ

শেবাচিমের ডাস্টবিনে ২২ অপরিণত শিশুর মরদেহ

জামায়াতের সামনে ৪ বিকল্প

পালওয়ামায় এনকাউন্টার সেনা, জঙ্গিসহ নিহত ৭

আমাদের পেছনে কেউ নেই অনেকের সমর্থন আছে

ভিসির কার্যালয় ঘেরাও বামপন্থিদের

জবিতে দিনভর সংঘর্ষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

শাজাহান খানকে নিয়ে সংসদে প্রশ্ন

অভিজিৎ হত্যায় ৬ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

‘বঙ্গবন্ধুর ছবি অন্তর্ভুক্ত না করায় ইতিহাস বিকৃতি হয়েছে’

এমপিদের শপথের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, সাংবাদিকদের ওপর হামলা

পাকিস্তানকে উজাড় করে দিলেন ক্রাউন প্রিন্স

জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে আওয়ামী লীগ: কাদের