চট্টগ্রামে গণধর্ষণের শিকার দুই কিশোরী

শেষের পাতা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫২
মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে বিচারের নামে আটকে রেখে দুই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে ৮ যুবক। রক্তাক্ত অবস্থায় দুই কিশোরীকে উদ্ধারের পর পুলিশ ৬ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পলাতক রয়েছে আরো দুই যুবক। রোববার দিনগত রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর নিউ মার্কেট মোড়ের জলসা মার্কেটের নবম তলার ছাদে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের এই ঘটনা ঘটে বলে জানান কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন।

ধর্ষিত দুই কিশোরীর নাম গোপন রাখা হলেও ঘটনায় জড়িত যুবকদের নাম বলেছেন ওসি। এরমধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ৬ যুবক হচ্ছে-
জাহাঙ্গীর আলম (২৪), ফারুক (২৭), আব্দুল আউয়াল ওরফে ডালিম (৩০), কবির (২৭), বাবলু (২৮) ও সেলিম (৩৫)। আর পলাতক দুই যুবক হচ্ছে- রুবেল (২৫) ও এনাম (২৭)।

ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ১৭ বছরের এক তরুণী আগে থেকে জলসা মার্কেটে চাকরি করতো। ওই মার্কেটের ৫ম তলার জয়ন্তী বোরকা হাউসের মালিক রাশেদ তাকে জানায়, তার দোকানের জন্য একজন মহিলা কর্মচারী লাগবে।
সে হিসেবে ওই তরুণী ১৬ বছর বয়সী তার এক বান্ধবীকে নিয়ে রোববার দুপুর ২টার দিকে রাশেদের দোকানে যায়।
কথা বলে চলে আসার সময় রাশেদের দোকানের এক মেয়ের মোবাইল হারিয়ে গেছে বলে ডালিম ও সেলিম নামের দুজন তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রথমে রাশেদের রুমে বসিয়ে মোবাইল চুরি করেছে কিনা জানতে চাওয়া হয়। এরপর সেলিমের দোকানে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিচারের কথা বলে দুই কিশোরীকে জলসা মার্কেটের ৯ম তলার ছাদে নিয়ে যায় তারা। সেখানে আটজনই পালাক্রমে দুই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পালাক্রমে ধর্ষণে রক্তাক্ত হওয়ার পর তারা দুই কিশোরীকে মুমূর্ষু অবস্থায় ছাদে রেখে যায়।

এদিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার দীর্ঘক্ষণ পরও ঘরে না ফেরায় ১৭ বছরের ওই তরুণীর মা রাত সাড়ে ১০টার দিকে জলসা মার্কেটে যান। সেখানে সমিতির লোকজনদের বলার পর খোঁজাখুঁজি করে মার্কেটের ছাদে গিয়ে তার মেয়ে ও মেয়ের বান্ধবীর খোঁজ পান। এ সময় তারা অসুস্থ অবস্থায় সেখানে পড়ে ছিল।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে রাত দুইটার দিকে ৮ ধর্ষকের ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। টের পেয়ে দুই ধর্ষক পালিয়ে যায় বলে জানান কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০৯-২৪ ১৬:৫১:০৬

ধর্ষণের উৎকৃষ্ট সাজা হল খোজা করা। যা দক্ষিণ কোরিয়ায় চালু ছিল। ইন্দোনেশিয়া ও তুরস্কে চালু হয়েছে। যতদিন এই সাজা চালু করে আইন হবে না ততদিন ধর্ষণ বন্ধ হবে না। ধর্ষণের উৎকৃষ্ট সাজা হল খোজা করা। যা দক্ষিণ কোরিয়ায় চালু ছিল। ইন্দোনেশিয়া ও তুরস্কে চালু হয়েছে। যতদিন এই সাজা চালু করে আইন হবে না ততদিন ধর্ষণ বন্ধ হবে না। ধর্ষণের উৎকৃষ্ট সাজা হল খোজা করা। যা দক্ষিণ কোরিয়ায় চালু ছিল। ইন্দোনেশিয়া ও তুরস্কে চালু হয়েছে। যতদিন এই সাজা চালু করে আইন হবে না ততদিন ধর্ষণ বন্ধ হবে না।

আপনার মতামত দিন

দেশের স্বার্থে নতুন মেরূকরণ হতে পারে

এমপিদের লাগাম টানছে না ইসি

স্টিয়ারিং কমিটিতে যারা থাকছেন

এনডিআই-এর নির্বাচনী ২০ দফা

সিলেটে একদিন পিছিয়েও সমাবেশের অনুমতি পায়নি ঐক্যফ্রন্ট

জাপার দুর্গে আওয়ামী লীগের দৃষ্টি

শিক্ষকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবে শঙ্কায় লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক

তিন জেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৪

তিনদিনের সফরে ঢাকায় এলিস ওয়েলস

টাঙ্গাইলে দীপু মনির জনসভা বাতিল, উত্তেজনা

খাসোগি হত্যার দায় স্বীকার সৌদির

ল্যান্ডমার্ক ম্যাচে মাশরাফিদের অন্য ‘লড়াই’

জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট ঘোষণা

‘ক্ষমতায় গেলে ৭ দিনের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল’

‘ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই’