ঐক্য ভাঙবে না আরো অনেকে যুক্ত হবে

প্রথম পাতা

মহিউদ্দিন অদুল | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫৮
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে দেশের মানুষের মধ্যে বৃহৎ ঐক্য তৈরি হয়ে গেছে। যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া পাঁচ দফার ভিত্তিতে ঐক্যের ডাক দিয়েছে। ঐক্যের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা ভাঙবে না। বরং এতে আরো অনেক দল যুক্ত হবে। মানবজমিন-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আ স ম আবদুর রব বলেন, বর্তমানে দেশের অবস্থা করুণ। ভয়াবহ। সংকটের মধ্যে দেশ ও রাজনীতি।
গণতন্ত্র নির্বাসিত।

দেশে স্বৈরতন্ত্র চলছে। এ থেকে মুক্তির জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। দু’জনের স্বাক্ষরে ৫ দফা দাবি ও ৯ দফা লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিএনপিসহ বেশ কটি দল যোগ দিয়েছে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও সমর্থন দিয়েছে। রব বলেন, আমার কোনো পিছুটানও নেই।

তিনি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সঙ্গে আছেন, থাকবেন। ঐক্য ভাঙবে না, বরং এতে আরো অনেকে যুক্ত হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৪ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে। মধ্যবর্তী নির্বাচন দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরে পড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সরে পড়েননি। জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এখন মেয়াদ পূর্ণ করতে যাচ্ছেন। দেশে এখন গণতন্ত্র নেই। স্বৈরতন্ত্র চলছে। তারপরও ক্ষমতায় থাকার জন্য নানা টালবাহানা শুরু করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু আর না। আর জনগণের কণ্ঠরোধকারী স্বৈরাচারী শাসন মেনে নেয়া হবে না। এবার সরে যেতে হবে।

মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান ও আইনের শাসন ভূ-লুণ্ঠিত। এখন মানবাধিকার বলতে কিছু নেই। প্রতিদিন খুন, গুম হচ্ছে। যখন তখন রাজনৈতিক মামলা হচ্ছে। অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তা বন্ধ করতে হবে। নির্বাচনের আগে এখন থেকেই তা বন্ধ করে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার সংবিধানিক বাধ্যবাধকতার দোহাই দিয়ে ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করতে চায়। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে যে সিটি নির্বাচনগুলো হয়েছে সেগুলোকে কী নির্বাচন বলা যায়?  


এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শুধু জামায়াত কেন। স্বাধীনতাবিরোধী কোনো দলের সঙ্গেই আমরা ঐক্যে যাবো না। আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেই আমাদের আন্দোলন। তাদের নিয়ে আবার কী ঐক্য! নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ ছাড়া প্রায় সব দলই একমত। আশা করি, আমাদের ঐক্যে আরো অনেকে যুক্ত হবে। ঐক্য তো হয়েই আছে। ঐক্য হবে না- এমন সংশয় করার কিছু নেই।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Shyamol

২০১৮-০৯-২৪ ১২:২৪:১৭

When you were the leader of the opposition seventy party alliance during Ershad tenure. You gave legitimacy of Marshal Law. You fleed away when Ershad Govt. fall. It is the rear situation that opposition leader fleed after Govt. Fall. So , at first you should feel sorry first to the nation.

আপনার মতামত দিন

দেশের স্বার্থে নতুন মেরূকরণ হতে পারে

এমপিদের লাগাম টানছে না ইসি

স্টিয়ারিং কমিটিতে যারা থাকছেন

এনডিআই-এর নির্বাচনী ২০ দফা

সিলেটে একদিন পিছিয়েও সমাবেশের অনুমতি পায়নি ঐক্যফ্রন্ট

জাপার দুর্গে আওয়ামী লীগের দৃষ্টি

শিক্ষকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবে শঙ্কায় লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক

তিন জেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৪

তিনদিনের সফরে ঢাকায় এলিস ওয়েলস

টাঙ্গাইলে দীপু মনির জনসভা বাতিল, উত্তেজনা

খাসোগি হত্যার দায় স্বীকার সৌদির

ল্যান্ডমার্ক ম্যাচে মাশরাফিদের অন্য ‘লড়াই’

জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট ঘোষণা

‘ক্ষমতায় গেলে ৭ দিনের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল’

‘ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই’