মংলা বন্দর উন্নয়নে ভারত আর্থিক সাহায্য দিচ্ছে

অনলাইন

কলকাতা প্রতিনিধি | ২৫ জুন ২০১৮, সোমবার, ১২:৪৩
বাংলাদেশের মংলা বন্দর দিয়ে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে উদ্যোগী হয়েছে। আর এদিক লক্ষ্য রেখেই ভারত মংলা বন্দর উন্নয়নে ৬হাজার ২শ ৫৬ কোটি টাকা অর্থ সাহায্য দিচ্ছে। এই অর্থে বন্দর উন্নয়নের কাজ করা হবে। আগামী ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উন্নয়নের কাজ সম্পূর্ণ করা হবে বলে জানা গেছে। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় তৃতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় আনার জন্য সাড়ে চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ চুক্তি করেছিলেন। সেখান থেকেই এই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের জন্য দেয় ঋণ দিয়ে বন্দর জেটিতে ১ ও ২ নং কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ, কন্টেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড নির্মাণ, ইয়ার্ড শেড নির্মান, নিরাপত্তা দেওয়াল অটোমেশন ও অন্যান্য অবকাঠামোসহ বন্দরের সংরক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ, সার্ভিস ভেসেল জেটি শেড ও অফিস নির্মাণ, বন্দর ভবন (প্রশাসনিক) সম্প্রসারণ, এমপিএ টাওয়ার, পোর্ট রেসিডেনশিয়াল কমপ্লেক্স কমিউনিটি সুবিধাদি নির্মাণ, ইকুইপমেন্ট ইয়ার্ড, ইকুইপমেন্ট শেড ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ এমটি পুল নির্মাণ, সিগনাল রোড ক্রসিং ও ওভারপাস নির্মাণ ও বিনোদন ব্যবস্থাসহ বাঁধ নির্মাণ এবং ৫ টি হারবার ক্রাফট কেনার কাজ করা হবে। মংলা বন্দরের গুরুত্ব বিদেশিদের কাছে বৃদ্ধি পেলেও বন্দরের পরিকাঠামো মোটেই ভাল নয়।
পদ্মাসেতু চালু হলে বন্দরের ব্যস্ততা আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলে সেদিকে লক্ষ্য রেখে অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বিমানবন্দরে আত্মহত্যার চেষ্টা করা রুনা বললেন আমি মরতে চাই

দুর্নীতিবাজদের নিয়ে জোট করে সরকার উৎখাতের চেষ্টা হচ্ছে

সহস্রাধিক সাইট পেজে নজরদারি

সাধারণের ভোট ভাবনা

মেজর (অব.) মান্নানকে দুদকে তলব

ডিজিটাল আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়

২৯শে সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের নাগরিক সমাবেশ

ঢাকায় বৃহস্পতিবার বিএনপি’র সমাবেশ

জগাখিচুড়ির ঐক্য টিকবে না

৫৭ ধারার মামলায় চবি শিক্ষক কারাগারে

পদ্মার ডান তীরে ভাঙন ফের আতঙ্ক

মালদ্বীপে বিরোধীদের অভাবনীয় জয়

চট্টগ্রামে গণধর্ষণের শিকার দুই কিশোরী

বিচারকের প্রতি দুই আসামির অনাস্থা

ভালো মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন: প্রেসিডেন্ট

শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কথা বলেননি ড. কামাল