নিষেধাজ্ঞা ভেঙে গাজীপুরে নওফেল

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে | ২৫ জুন ২০১৮, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৫
নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান  চৌধুরী নওফেল। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন চলাকালে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন। সাংবাদিকরা নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি তাকে অবহিত করলে তিনি বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। পরে প্রজ্ঞাপন দেখানোর পর তিনি সংবাদ সম্মেলন ছেড়ে চলে যান। যাওয়ার সময় তিনি রোববারই গাজীপুর ছেড়ে যাওয়ার কথা জানান।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে গাজীপুরে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। বিএনপির নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, খুলনা সিটি করপোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক নির্বাচনী বিধি ভেঙে  রোববার সকালে নগরের সালনায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের পাশে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম সাইনবোর্ড এলাকার একটি কারখানায় সমাবেশে প্রার্থীর পক্ষে বক্তব্য রেখে ভোট চান।
এর আগে, শনিবার রাত ১২টা থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে বহিরাগত ব্যক্তিদের চলে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে ২২শে জুন প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। ২৬শে জুন ভোটের দিন পর্যন্ত ওই এলাকায় বহিরাগত ব্যক্তিদের চলাফেরায় এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।

দুপুরে মহিবুল হাসান সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করলে গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার না হওয়া সত্ত্বেও সেখানে অবস্থানের বিষয়ে সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান- উত্তরে নওফেল বলেন, এ ধরনের প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে তার জানা নেই। আজ থেকেই যে আসা যাবে না, সেটা তিনি জানতেন না। কাল (আজ) সোমবার থেকে প্রচার-প্রচারণা বন্ধ থাকবে, এটা তিনি জানতেন।

কিছুক্ষণ পরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ব্রিফিং করেন। নগর উন্নয়নের স্বার্থে তিনি সকল শ্রেণি- পেশার ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আমাকে ভোট দিন। আমি বাসযোগ্য নগর উপহার দেব। গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ে তুলবো। এই ব্রিফিংয়ে তালুকদার খালেক ও অন্যদের আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়টি খেয়াল করিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি সর্বক্ষণ নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত ছিলাম। আমি জানতামও না এই প্রজ্ঞাপনের ব্যাপারে। এই আইনের আর কোনো লঙ্ঘন ঘটবে না। বহিরাগতদের আসার বিরুদ্ধে আমি ছিলাম সবচেয়ে সজাগ। এছাড়া যারা পোশাক কারখানার মালিক তাদের তো গাজীপুরেই শিল্প-কারখানা রয়েছে। তাদের কারখানায় তারা আসবেন এটাই স্বাভাবিক। ওনারা তো আর বহিরাগত নন। কেউ আমাদের অবহিত করেনি। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বাসার নিচে প্রেস ব্রিফিং শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ও আদালতের আদেশে স্থগিত থাকা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। প্যান্ডেলের পাশেই ছিলেন শ্রমিক লীগ নেতা রায় রমেশ চন্দ্র। পরে নির্দেশনার বিষয়টি আলোচিত হতে থাকলে সেখান থেকে দ্রুত চলে যান তারা।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

mohammadjashimuddin

২০১৮-০৬-২৫ ২২:৩৪:২২

নির্বাচন কেমন হবে এটা নেতার ভুমিকাই যথেষ্ট নয় কি?

মোম্তাফিজুর রহমান

২০১৮-০৬-২৫ ১১:৩৫:২২

এগুলান কেন আওয়ামীলীগের মত ঐতিহ্যবাহী দলের গুরুত্বপুর্ণ পদে দায়িত্ব পায় বুঝিনা।

আপনার মতামত দিন

বিমানবন্দরে আত্মহত্যার চেষ্টা করা রুনা বললেন আমি মরতে চাই

দুর্নীতিবাজদের নিয়ে জোট করে সরকার উৎখাতের চেষ্টা হচ্ছে

সহস্রাধিক সাইট পেজে নজরদারি

সাধারণের ভোট ভাবনা

মেজর (অব.) মান্নানকে দুদকে তলব

ডিজিটাল আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়

২৯শে সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের নাগরিক সমাবেশ

ঢাকায় বৃহস্পতিবার বিএনপি’র সমাবেশ

জগাখিচুড়ির ঐক্য টিকবে না

৫৭ ধারার মামলায় চবি শিক্ষক কারাগারে

পদ্মার ডান তীরে ভাঙন ফের আতঙ্ক

মালদ্বীপে বিরোধীদের অভাবনীয় জয়

চট্টগ্রামে গণধর্ষণের শিকার দুই কিশোরী

বিচারকের প্রতি দুই আসামির অনাস্থা

ভালো মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন: প্রেসিডেন্ট

শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কথা বলেননি ড. কামাল