৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ

খালেদার জামিন বহাল, তবে এখনই মুক্তি মিলছে না

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ মে ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৫১
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে, এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রইলো। একই সঙ্গে এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের করা আপিল আগামী ৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি  সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত চার বিচারপতির আপিল বিভাগ গতকাল সকালে এ রায় দেন। তবে, জামিন বহাল থাকলেও খালেদা জিয়া এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানান উভয়পক্ষের আইনজীবীরা। এ দিকে কারামুক্তির জন্য কয়টি মামলায় খালেদা জিয়াকে জামিন নিতে হবে সে বিষয়ে তার আইনজীবীদের কাছ থেকে সম্মিলিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইনজীবীরা জানান, অন্তত ছয় থেকে সাতটি মামলায় খালেদা জিয়াকে জামিন নিতে হবে। এর মধ্যে কুমিল্লায় দুটি মামলায় (বাসে পেট্রল বোমা মেরে মানুষ হত্যা ও নাশকতার মামলা) ইতিমধ্যে খালেদা জিয়াকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে বলে জানান তার আইনজীবীরা। খালেদা জিয়ার আইনজীবী মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে বেশকিছু মামলা আছে। সেইসব মামলাগুলোতে জামিন পেলেই তিনি কারামুক্তি পাবেন। এজন্য তারা আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, খালেদা জিয়াকে কারামুক্তি পেতে হলে অন্য সবগুলো মামলাতেও জামিন পেতে হবে। তিনি আরো বলেছেন, আপিল শুনানির ব্যাপারে আমরা প্রস্তুতি নেব এবং সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত হবো।
এর আগে গত ১৫ই মে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে দিন ধার্য ছিল। ওই দিন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতের অনুমতি নিয়ে অধিকতর শুনানি করেন। পরে রায়ের জন্য বুধবার দিন ধার্য রাখেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত ৮ ও ৯ই মে উভয়পক্ষের শুনানি শেষ হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। পাশাপাশি আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। রায়ের পর থেকে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। বিচারিক আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আইনজীবীদের মাধ্যমে হাইকোর্টে আপিল ও জামিনের আবেদন করেন খালেদা জিয়া। গত ১২ই মার্চ খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে হাইকোর্টের দেয়া জামিনের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। গত ১৪ই মার্চ আপিল বিভাগ এক আদেশে খালেদা জিয়ার জামিন ১৮ই মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করে এই সময়ের মধ্যে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে লিভ টু আপিল দায়েরের নির্দেশ দেন। ১৯শে মার্চ এক আদেশে খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে ৮ই মে শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন আপিল বিভাগ।
গতকাল রায় শেষে খালেদা জিয়ার আইনজীবী মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। আপিল বিভাগের এ রায়ের পর খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে কি কি বাধা রয়েছে- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে তিনি মুক্তি পাবেন না। কারণ নিম্ন আদালতের কতগুলো মামলায় তাকে আসামি দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় হত্যা, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩টি, ঢাকার আদালতে মানহানিসহ দুটি এবং নড়াইলে ১টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সে মামলাগুলোতে তার জন্য জামিন নিতে হবে। আর জামিন নিতে যতটুকু সময় লাগে, সেই সময়টুকু পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তবে, আমরা চেষ্টা করবো খুব দ্রুতগতিতে। তিনি বলেন, আপিল বিভাগ যেহেতু তার জামিন বহাল রেখেছেন, তাই আমরা আশা করি এখন নিম্ন আদালতে অন্য মামলাগুলোতে তার জামিন পেতে কোনো অসুবিধা হবে না। মওদুদ আহমদ আরো বলেন, আমাদেরকে তো একটি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগুলো সম্পন্ন করতে হয়। তবে, আমরা শিগগিরই চেষ্টা করবো ওই মামলাগুলোতে জামিন নিতে। ওই মামলাগুলোতে জামিন পাওয়ার পর খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং খুব শিগগিরই ফিরে আসবেন। ৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি সম্ভব কিনা- এমন প্রশ্নে মওদুদ আহমদ বলেন, শুনানি শুরু হলে তখন বোঝা যাবে। শুনানির জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। তখন বোঝা যাবে, কতদিন লাগবে। এটা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব না। সরকার খালেদা জিয়ার কারামুক্তি বিলম্বিত করতে নানা কৌশলে চেষ্টা করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এগুলো সরকারের কৌশল। একেবারে ভুয়া-ভিত্তিহীন কতগুলো মামলা। এসব মামলার অভিযোগে উনার কোনো ভূমিকা ছিল না। আইনের অপব্যবহার এবং অপপ্রয়োগ করে তাকে আসামি করা হয়েছে, যেন তাকে আরো কিছুদিন জেলখানায় রাখা যায়।
খালেদা জিয়ার অন্য আইনজীবী জয়নুল আবেদিন বলেন, আপিল বিভাগ সর্বসম্মতভাবে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন। এখন প্রশ্ন থাকতে পারে যে খালেদা জিয়ার অন্য মামলাগুলোর কি হবে? তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি আদালতে উপস্থিত হয়ে এই মামলা (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা) মোকাবিলা করেছেন। আমরা মনে করি অন্য যেকোনো মামলায় সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে জেলে রাখার চেষ্টা করুক না কেন আমরা তা আইনগতভাবে মোকাবিলা করবো এবং আমরা আশা করি অতি শিগগিরই খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন। এক প্রশ্নের জবাবে জয়নুল আবেদিন বলেন, আমরাও খালেদা জিয়ার আপিলের নিষ্পত্তি চাই। কারণ খালেদা জিয়া নির্দোষ। আর এই মামলা আপিলে শুনানি হলে খালেদা জিয়া খালাস পাবেন।
হাইকোর্টে খালেদা জিয়া বিচারকাজ বিলম্বিত করতে পারবেন না: অ্যাটর্নি জেনারেল
আপিল বিভাগ তারিখ নির্ধারণ করে দেয়ায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টে আপিল শুনানি খালেদা জিয়া বিলম্বিত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গতকাল তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে হাইকোর্ট যে জামিন দিয়েছিল আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে তা বহাল থাকবে। কিন্তু আপিল বিভাগ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চকে নির্দেশ দিয়েছেন ৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে খালেদা জিয়ার আপিলটি নিষ্পত্তি করার জন্য। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) যে নিম্ন আদালতে এই মামলা ৯ বছর ঝুলিয়ে রেখেছিলেন আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে এখানে (হাইকোর্টে) তিনি বিচারকাজ বিলম্বিত করতে পারবেন না। তিনি বলেন, যেহেতু আপিল বিভাগ আপিল নিষ্পত্তির সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন তাই এই আপিলটি শুনানির ব্যাপারে আমরা প্রস্ততি নেব এবং সর্বাত্মকভাবে আমরা প্রস্তুত হবো। খালেদা জিয়ার কারামুক্তি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, একজনের বিরুদ্ধে যদি পাঁচটি মামলা থাকে সেখানে একটি মামলায় জামিন পেলে অন্যান্য মামলায় জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তাকে জেলেই থাকতে হবে। তবে, তার (খালেদা জিয়া) নামে কয়টি মামলা আছে, কোন মামলা কি অবস্থায় আছে, ওয়ারেন্ট আছে কিনা, সেটিতো আমি বলতে পারবো না। সচরাচর যেটি হয় যদি পাঁচটি মামলা থাকে তবে পাঁচটি মামলাতেই তাকে জামিন নিতে হবে।
আমরা দলবল দেখে আদেশ দিই না: প্রধান বিচারপতি
এদিকে কারাগারে থাকা খালেদা জিয়ার কারামুক্তির জন্য জামিননামা (বেইল বন্ড) দাখিল করতে আপিল বিভাগের রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ (শর্ট অর্ডার) চেয়ে করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ। আইনে আপিল বিভাগ থেকে এ ধরনের কোনো প্রক্রিয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখার রায় দ্রুত প্রকাশ করা হবে বলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আশ্বস্থ করেন প্রধান বিচারপতি। শুনানির একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা দলবল দেখে আদেশ দিই না’।
সকালে রায় ঘোষণার পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী আপিলের রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশের জন্য সর্বোচ্চ আদালতে মৌখিক আবেদন করেন। আদালতকে তিনি বলেন, আজ (গতকাল) আপনারা জামিন দিয়েছেন। আমরা জামিননামা দাখিল করতে চাই। তাই, ঘোষিত রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ চাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, আদালত রায় ঘোষণা করেছেন, যা সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও থাকবে। রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশের কপি দিন।
এপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এতে আপত্তি জানিয়ে বলেন, খালেদা জিয়া তো আরো কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার আছেন। রায় ঘোষণার পর সংক্ষিপ্ত আদেশের কপি দেয়ার নজির নেই।
এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, রায়ের পর একমুহূর্তও কাউকে আটকে রাখা হলে, তা হবে বেআইনি আটক। এ জন্য সংক্ষিপ্ত আদেশ চাচ্ছি।
বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী তখন বলেন, কীভাবে আপনি এ আবেদন করছেন। কখনও দেখেছেন আপিলের কোনো রায়ের পর শর্ট অর্ডার দেয়া হয়েছে? এ ধরনের শর্ট অর্ডার দেয়ার নজির নেই।
এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, আপনারা নজির সৃষ্টি করতে পারেন। আপনারা চাইলেই তো দিতে পারেন।
এক পর্যায়ে এ জে মোহাম্মদ আলীর উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, এ ধরনের আবেদন গ্রহণ করার মতো কোনো বিধান আপিলের আইনে নেই। আপনার আবেদন রিফিউজ করা হলো।
এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি তো একা এসেছি। দলবল নিয়ে আসিনি।
প্রধান বিচারপতি বলেন, এটা কেমন কথা! দলবল নিয়ে আসলেই কি আমরা আদেশ দিয়ে দিই? দলবল দেখে আমরা আদেশ দিই না।
বেঞ্চের অপর বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার এ সময় এ জে মোহাম্মদ আলীর উদ্দেশ্যে উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, আপনি খুবই আপত্তিজনক মন্তব্য করেছেন। এটা কেমন কথা! আপনি আমাদের ফোর্স করতে পারেন না। সমস্যা হচ্ছে, আপনারা ভুলে যান যে কোর্টে আপনারা আইনজীবী, কোনো দলের লোক নন।
তখন এ জে মোহাম্মদ আলী তার এ মন্তব্যের জন্য আদালতের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে আবেদনটি গ্রহণের জন্য আর্জি জানান।
এসময় বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ জে মোহাম্মদ আলীকে বলেন, প্রধান বিচারপতি যেখানে নাকচ করে দিয়েছেন, সেখানে আপনি তর্ক করছেন কেন? কেন চাপ প্রয়োগ করছেন?
একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনার আবেদন আমরা বিবেচনা করতে পারলাম না। বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
এরপরই আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন এ জে মোহাম্মদ আলী। খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী কায়সার কামাল, নওশাদ জমির, মীর মো. হেলাল উদ্দিন এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘সবাই জানে আমার বয়ফ্রেন্ড আছে’

বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বোকা বানালেন ‘ভুয়া কলার’

মমতা শনিবার একান্তে বৈঠক করবেন হাসিনার সঙ্গে

সিটি নির্বাচনে প্রচারণার সুযোগ এমপিদের

আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হতাম

পুলিশ কি ওখানে জুঁই ফুলের গান গাইবে?

‘বন্দুকযুদ্ধে’ মৃতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক

মধ্যরাতে ঢাবি’র হলে ৩৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের মারধর

ব্যাংকে মুনাফা কমার ধাক্কা পুঁজিবাজারে

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, গ্রীষ্মে বর্ষার আলামত

খালেদার জামিন শুনানি মুলতবি

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তালিকা ধরে ব্যবস্থা

মৌলভীবাজার চা বাগানে বিশেষায়িত কারিগরি স্কুল হচ্ছে

১৮ বছর ধরে গাড়ি ছিনতাই করছিলো তারা

কারাগারে নজিরবিহীন সুবিধা পাচ্ছেন বেগম জিয়া: ড. হাছান মাহমুদ

‘বিপর্যস্ত মানবতার পাশে কিভাবে দাঁড়াতে হয় বাংলাদেশের কাছে শিখুন’