সরাইলে বৃদ্ধ খুন

বাংলারজমিন

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি | ১৭ মে ২০১৮, বৃহস্পতিবার
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বৃদ্ধ আবদুল খালেক (৫৫)। বাড়ি উপজেলার পল্লী এলাকা পাকশিমুলের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামে। অনেক কষ্টে বড় ছেলে শাহ আলমকে পাঠিয়েছেন প্রবাসে। সংসারের কষ্ট দূর করতে আরেক ছেলে শফিক আলমকে (২৪) বিদেশ পাঠানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন ৩ বছর আগে। ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে আপন চাচাত ভাই আবদুল কুদ্দুছের (৬০) সহায়তা নেন। কুদ্দুছের ভাগ্নির জামাতা চুন্টার পালপাড়ার মকবুল থাকেন মালদ্বীপে। কুদ্দুছের মাধ্যমে শফিককে মালদ্বীপ নেয়ার জন্য মকবুলকে টাকা দেন খালেক। দুই বছর হলো।
শফিককে বিদেশ নিচ্ছেন না। টাকাও ফেরৎ দিচ্ছেন না। শুধু তারিখ দিয়ে ঘুরাচ্ছেন। একাধিক সালিশ হয়েছে। হয়েছে মামলাও। এ ঘটনার জের ধরেই গত মঙ্গলবার বিকেলে আবদুল কুদ্দুছ ও খালেকের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেক মারা যায়। ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর স্বপ্ন অপূরণীয়ই থেকে গেল খালেকের। গতকাল পুলিশ কুদ্দুছের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিদেশ পাঠানোর টাকা ও জায়গা জমির বিরোধে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল।
গত মঙ্গলবার বিকেলে ২ পরিবারের মারামারির ঘটনায় আহত খালেক জেলা সদর হাসপাতালে মারা গেছেন। ময়না তদন্তের পক্রিয়া চলছে। এখনো মামলা হয়নি।    



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ঐক্য ফ্রন্টের গোড়াতেই গলদ: কাদের

রাজবাড়ীতে ট্রেন-ভটভটি সংঘর্ষে নিহত ৩

সরকারকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করতে হবে: মওদুদ

অশুভ শক্তিকে রুখে দিতে হবে: প্রেসিডেন্ট

সৌম্যের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে সহজেই হারালো বিসিবি

জাতীয় ঈদগাহে আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা সম্পন্ন

র আমাকে হত্যা করতে চায় এ খবর ভিত্তিহীন: সিরিসেনা

ময়মনসিংহ মেডিকেলের লোটে শেরিং এখন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

এবার সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলন বয়কট করল যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও আইএমএফ

তালেবান হামলায় কান্দাহারের গভর্নর, পুলিশপ্রধান ও গোয়েন্দাপ্রধান নিহত

খেলাফত মজলিসের আমীর হাবিবুর রহমানের ইন্তেকাল

বিকল্প ধারার তিন নেতাকে অব্যাহতি

ময়মনসিংহে মেইল ট্রেন লাইনচ্যুত

আইয়ুব বাচ্চুর জন্য স্টেজে কাঁদলেন জেমস

রূপগঞ্জে অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার

‘প্রত্যেক পাঠক-দর্শকের ভেতরে একজন মিসির আলি বাস করেন’