খুলনা সিটি নির্বাচন

ফ্যাক্টর ৫২ হাজার নতুন ভোটার

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে: | ২৪ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:০৩
খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগ মনোনীত তালুকদার আব্দুল খালেক ও বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জুর। আনুষ্ঠানিক প্রচার আজ মঙ্গলবার বিকেল থেকে শুরু হলেও ঘরোয়া বৈঠকে খুলনায় বসবাসরত আঞ্চলিক ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছেন এ দুই মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। তবে ফলাফল নির্ধারণে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে নতুন ৫২ হাজার ভোটার। এজন্য তরুণ ভোটারদেরও কাছে টানতে কৌশলী ভূমিকায় প্রার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, কেসিসি’র এবারের নির্বাচনে চার লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৪ ভোটার। মহানগরীতে এক লাখেরও বেশি ভোট বস্তিবাসীর। হিন্দু সম্প্রদায়ের ৭০ হাজার ভোট রয়েছে।
শ্রমিক আছেন প্রায় ৬০ হাজার। এছাড়া প্রায় ত্রিশ হাজার আটকে পড়া পাকিস্তানি ভোটার রয়েছেন নগরীতে। এসব ভোট বরাবরের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। ২০১৩ সালের তুলনায় এবার নতুন ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৫২ হাজার। সাধারণত এসব ভাসমান ভোটার ফলাফল নির্ধারণে প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে বলে বিশ্লেষকদের মন্তব্য।
পূর্বের নির্বাচনগুলোর ফলাফল অনুযায়ী, খুলনা মহানগরীতে দীর্ঘদিন ধরেই ভোটের ক্ষেত্রে বিএনপি এগিয়ে। খুলনা-২ নির্বাচনী এলাকায় মুসলিম লীগপন্থিদের প্রভাবের কারণে সংসদীয় কিংবা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বেশির ভাগ সময়ই বিএনপির প্রার্থীরাই বিজয়ী হন। কেসিসির আরেক অংশ খুলনা-৩ নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রভাব তুলনামূলক বেশি বলে পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষকদের।

এদিকে আওয়ামী লীগ-বিএনপির নিজস্ব ভোট ব্যাংকের পাশাপাশি আঞ্চলিক ভোটারদের একটি বড় প্রভাব রয়েছে। বরিশাল, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা, নোয়াখালী, বৃহত্তর যশোরসহ বিভিন্ন এলাকার শিল্প শ্রমিকদের অবস্থান শিল্প এলাকায়। খুলনায় নির্বাচনী এলাকার এসব ভোটারের প্রতি নজর প্রধান দুই প্রার্থীর। রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত না থাকা এসব ভোটারও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এ দুই ভাগেই ভাগ হয়ে যাবে এসব ভোট।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ভোট ব্যাংকের পাশাপাশি নানা বিষয় ভোটের ফল নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। এসবের মধ্য রয়েছে দলীয় সংহতি, তরুণ ভোটার, নারী ভোটার, আঞ্চলিক ভোটার, ভাসমান ভোটার, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের ভোট, সবুর খানের অনুসারীদের ভোট ও নগরের উন্নয়ন। তাই আগে-ভাগেই ঘরোয়া বৈঠকে এসব আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে বসছেন মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী।

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) খুলনার সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, প্রধান দুই দলই তাদের সেরা প্রার্থীকে নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছে। এখন ভোটারদের কোটে বল। ভোটাররা কাকে নির্বাচন করবেন, সেটা তাদেরই বিবেচনা। নানা দিক বিচার-বিশ্লেষণ করেই ভোটাররা প্রার্থী নির্বাচন করবেন। তবে, কেসিসি নির্বাচনের গতি-প্রকৃতির ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছেন যারা তাদের অভিমত, ভোটারদের কাছে যিনি আস্থা তৈরি করতে পারবেন তিনিই হাসবেন শেষ হাসি।

ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ ও কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকছে: খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচন আগামী ১৫ মে। এবারের নির্বাচনে ২-৩টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেথড (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ ও ২-৩টি কেন্দ্র ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। কেসিসির নির্বাচনী রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন-খুলনা সমপ্রতি সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি করেছেন, ভোটারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সচেতন করার পর ভোট কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা যেতে পারে। তার আগে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ না করার জন্য সিইসিকে অনুরোধ করেছে সুজন। একই সঙ্গে সুজন প্রতিটি ভোট কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার দাবি করে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে কেসিসির নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হয়।
আচরণবিধি লঙ্ঘনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা: খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর  ৮ই এপ্রিলের মধ্যে সব ধরনের প্রচার সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ ছিল। কিন্তু আজও নগরীজুড়ে বিভিন্ন প্রার্থীর প্রচার সামগ্রীর দেখা মিলছে। প্রশাসন এ বিষয়ে মুখে কঠোরতার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তাদের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। পাশাপাশি প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তা মানছেন না। ইতিমধ্যেই প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা পরস্পরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন। এমন অবস্থায় কেসিসি নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে কিনা, তা নিয়ে অনেক প্রার্থী শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘুরে দেখা গেছে, প্রার্থীদের আগাম প্রচার সামগ্রী এখনো বিভিন্ন প্রান্তে শোভা পাচ্ছে। ১৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার জীবন বীমা ভবনের দেয়ালে বিভিন্ন প্রার্থীর আগাম পোস্টার লাগানো রয়েছে। জিয়া হলের গা-ঘেঁষে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানগুলোতেও আগাম প্রচার সামগ্রীর দেখা মিলছে। বয়রা মেইন রোড, টুটপাড়া, বানিয়াখামার, ফারাজিপাড়া, বড় বাজার, শেখপাড়া, খালিশপুর, দৌলতপুর, মহেশ্বরপাশাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের আগাম প্রচার সামগ্রী এখনও বহাল রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ বিষয়ে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
এদিকে শহরজুড়েই মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের মহড়া চলছে। ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচন অফিসে এ ধরনের একাধিক অভিযোগ জানিয়েছেন। নির্বাচন অফিসও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু অভিযোগ না পাওয়া বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি দেখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীরা নির্দেশনা অমান্য করেই প্রার্থীদের অফিস উদ্বোধন করছেন।

এ অবস্থার মধ্যে গতকাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে, আর আজ  মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এরপরই বিকেল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জোরদার হবে নির্বাচনী প্রচারণা। কাউন্সিলর পদে নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও দলের সমর্থন নিয়েই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় মনোনয়নের বাইরে থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়া নেতাদের বিরুদ্ধেও দলীয় হাই কমান্ড থেকে কঠোর শাস্তির ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় আচরণ বিধিমালার পাঁচ নম্বর ধারায় বলা আছে, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রকার প্রচার শুরু করতে পারবেন না। তারপরও নানা কৌশলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর পক্ষে প্রতিনিধি সভা বা সাংগঠনিক সভার নামে প্রচার চালানো হয়েছে। প্রার্থীর পক্ষে ভোটও চাওয়া হচ্ছে। প্রার্থী ও দলীয় প্রতীক সম্বলিত ব্যানারও ব্যবহার হচ্ছে।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গে ২৪শে এপ্রিল দুপুরের পর থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করা যাবে। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইকিং করা যাবে। মেয়র পদে প্রতিটি থানা এলাকায় একটি মাইক এবং কাউন্সিলর পদে তার নির্বাচনী ওয়ার্ডে একটি করে মাইক ব্যবহার করা যাবে। জনসভা নয়, শুধু পথসভা করা যাবে। তাও জনগণ ও যান চলাচলে বিঘ্নিত করে নয়। পথসভায় কেউ মাইক ব্যবহার করলে অন্য মাইক দিয়ে প্রচারণা চালানো যাবে না। একজন কাউন্সিলর প্রার্থীর জন্য একটিমাত্র মাইক বরাদ্দ থাকবে। তবে মাইকিংয়ের জন্য রিটার্নিং অফিসারের মূল অনুমতিপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।

২৩ নং নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না বলেন, ‘ভোটাররা নির্বাচনের দিন সুষ্ঠুভাবে ভোট দেয়ার সুযোগ পাবে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।’ তিনি এ ব্যাপারে নির্বাচন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ন্যায় ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ আশা করছেন।

৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জিয়াউল ইসলাম মন্টু বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া প্রয়োজন। তাতে পরাজিত হলেও দুঃখ থাকবে না। ভোটের দিন ক্ষমতাসীনদের দাপট ও ফলাফল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টাকারীদের কঠোর হাতে দমন করতে প্রশাসনকে তৎপর থাকতে হবে।
কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুস আলী বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনের ধারাবাহিক ঘটনা অস্বস্তির সৃষ্টি করেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘শতভাগ গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেয়াই নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য। এজন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো পরিকল্প বাস্তবায়ন হতে দেয়া হবে না।’

খুলনার অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘এক মাইক বলতে একটিমাত্র চোঙা বোঝাবে। কেউ একই মাইকে দু’টি চোঙা ব্যবহার করলে সেটিও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের আওতায় আসবে। ২৪শে এপ্রিল প্রার্থীকে নিজস্ব নির্বাচনী কার্যালয়ের ঠিকানা এবং নির্বাচনী প্রধান এজেন্টের মোবাইল নম্বরসহ তালিকা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছাতে হবে। প্রধান এজেন্টকেও প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। ওই তালিকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে। যাতে সহজেই নির্বাচনী কার্যালয় চিহ্নিত করা যায় এবং অতিরিক্ত কার্যালয় পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। পোস্টার ব্যানার হতে হবে সাদাকালো এবং ১৮ ইঞ্চি বাই ২৩ ইঞ্চি সাইজ। এতে প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কারও ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। তবে, প্রার্থী কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা সমর্থক হলে শুধু ওই দলের বর্তমান প্রধানের ছবি দেয়া যেতে পারে। পোস্টার দেয়ালে সাঁটানো যাবে না। তবে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা যাবে। এমনকি নির্বাচনী কার্যালয়েও কোনো প্রকার আঠাযুক্ত জিনিস দিয়ে দেয়ালে পোস্টার লাগানো যাবে না।’

খুলনা মেট্রেপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘ওপর থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে নেতাদের আগাম প্রচার সামগ্রী নামিয়ে ফেলার জন্য আহ্বান জানানো হয়। ৮ই এপ্রিলের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগাম প্রচার সামগ্রী সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয়। এ ধরনের নির্দেশনার সঙ্গে শাস্তির বিধান থাকলে আজ এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তাহলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আগাম প্রচার সামগ্রী সরিয়ে ফেলার উদ্যোগের বদলে আইনি ব্যবস্থা গৃহীত হতো। তারপরও প্রশাসনের অভিযানে যথেষ্ট পরিমাণ সামগ্রী অপসারণ করা হয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু এলাকায় এ ধরনের সামগ্রী থাকতে পারে। এখন শেষ সময়ে আচরণবিধি পর্যবেক্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।’


এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বাজপেয়ী প্রয়াত

কোটা আন্দোলনের নেত্রী লুমা রিমান্ডে

তাদের উদ্দেশ্য কি?

ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি

সাইবার হামলার আশঙ্কায় সব ব্যাংকে সতর্কতা জারি

ঢাকার নিন্দা বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব

বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা ও প্রতিবাদের অধিকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন

আমীর খসরুকে দুদকে তলব

রোহিঙ্গা প্রশ্নে চীন ও রাশিয়ার অবস্থান পাল্টায়নি এখনো

মহাসড়কে যানজট ঈদযাত্রার আগেই ভোগান্তি

যুবলীগ নেতার গ্রেপ্তার দাবিতে সড়কে এমপি

স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে ঈদ করা হলো না প্রবাসী নাছিরের

অতিরিক্ত গচ্চা ১১১ কোটি টাকা

পেট্রোবাংলার ৭ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন আজ

লুমা রিমান্ডে, ১২ ছাত্রের জামিন নামঞ্জুর